পাতা:আনন্দ রহো.djvu/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( 18 ) তাদি কি আপনার প্রাণ খুঁয়ে কঁদিতে পারিনি ? দিদি । আমি বড় অভাগিনী, তোমার মতন প্রফুল্ল কুমম-কলি ও তামার নিঃশ্বাসে মলিন হয় । দিদি । আমার মতন ভগ্নী কি তার কাকর অাছে ? কানু--দিদি । বিশ্বাস কর, মনস্কামনা করে কালীর পায়ে জব। দিয়েছ অবশ্য তোমার সঙ্গে নরিাণের সঙ্গে দেখা হবে ; এই দেখ দেখি আমি মেনেছিলুম, আমার এ কুড়িট আজও রয়েছে। যযু—কানুন ! আমি বালক সেজে পথে পথে কেঁদে বেড়িয়েছি, রাস্তায় রাস্তায় গান করে বেড়িয়েছি, স্বৰ্য্যের উত্তাপে কাতর হইনি ক্ষুধা তৃষ্ণার সময় নদীর জল অমৃত বলে পান করেছি, তাতেই সবল হয়েছি, আবার লহরীমোহনের অনুসন্ধান করেছি; মনে মনে সম্পূর্ণ বিশ্বাস ম কালী মনস্কামনা পূর্ণ কৰ্ব্বেন। কানু-অম্বশ্যই করবেন,আমার ফুলটা দেখে তোমার বিশ্বাস হয় না ? যমু-ন ভাই ! যখন পেয়ে হারালেম, তখন আর বিশ্বাস হয় না । কানু—আচ্ছ ভাই ! তামি কাল সকলে তোমার মতন বালক সেজে পথে পথে ঘুরবো, দেখি পাই কি না ? যমু—কানুম ! আমার প্রাণ বলছে তাকে পাবে না, তুমি মিছে প্রবোধ দিওন | গনু-আচ্ছ এসো, ওদিকে ফুল ফুটেছে দেখিগে । ম–ন দিদি, তুমি দেখগে । কানু-বুঝেছি, বসে কাদবে, আচ্ছ। আমি তোমার জন্য ফুল তুলে তানছি, তখন কিন্তু নিতে হবে। ( প্রস্থান ) যমু—তুমিই মুখী—ম। কালী ! এ জন্মে মনের সাধ মনেই রইলো । যদি জন্ম হয় যেন যমুনাই হুই লহরীমোহনকে নিয়ে খেল করি, আর যদি সে সাধ ন পূর্ণ হয়, যেন কানুন হই, একটা শুকনে কলি নিয়ে চিরকাল বেড়াই ।