পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


RV V af 3 gf J 3 Q হইয়াছি কিন্তু সম্পূর্ণরূপে হইতে পারি নাই। আরো তিন সপ্তাহকাল সময় না পাইলে এই সমস্ত গোলযোগ নিস্পত্তি করিয়া আমার কর্মে ফিরিয়া যাওয়া আমার পক্ষে একপ্ৰকার অসম্ভব । আপনি আমার পুনঃ পুনঃ ছুটির আবেদন গ্ৰাহা করিয়া আমাকে অনুগৃহীত করিয়াছেন, গবৰ্ণমেণ্টও যথেষ্ট অনুগ্ৰহ করিয়াছেন ; পুনরায় ছুটির দরখাস্তে (একদিনের জন্যও)। আপনাদিগকে বিরক্ত করা আমি নিতান্ত অন্যায় বিবেচনা করি, অতএব একান্ত বাধ্য হইয়া গবৰ্ণমেণ্টের নিকট আমার এই চাকরীর ইস্তফা পত্র প্রেরণ করিতেছি। যখন প্ৰথমে আম গবৰ্ণমেণ্টের এই চাকরী স্বীকার করি, তখন তাহার বেতনের প্রতি আমার দৃষ্টি ছিল না। কিন্তু এইক্ষণে আমার যেরূপ বৈষয়িক অবস্থা এখন তাহাতে আমার ঔদাসীন্য করা ঠিক হয় না। আমার এই যে দুরবস্থা ঘটিয়াছে তাহা আমার নিজের দোষে নয়। কিন্তু আমার স্বৰ্গগত ভ্রাতার ঋণভার আমার উপরে পড়বার দরুণ আমি একান্ত বিব্রত হইয়া পড়িয়াছি। এক্ষণে প্ৰাৰ্থন এই যে গবৰ্ণমেণ্ট আমার প্রকৃত অবস্থা অবগত হইয়া যাহাতে ভবিষ্যতে আমাকে ক্ষতিগ্ৰস্ত হইতে না হয় সেই বিষয়ে কৃপাদৃষ্টি করেন।” Young সাহেব এই পত্রের উত্তরে লেখেন—“তুমি লিখিতেছি। যে তিন সপ্তাহ সময় পাইলে তুমি তোমার পাওনাদারদের সঙ্গে বোঝাপড়া করিয়া এই দায় হইতে মুক্ত হইতে পার। তা যদি হয় তাহা হইলে আমার পরামর্শ এই যে একেবারে ইস্তফা না দিয়া তুমি আর এক মাসের অবকাশ প্ৰাৰ্থনা করিয়া গবৰ্ণমেণ্টে দরখাস্ত করy উত্তর পাইলে যথাকর্তব্য স্থির করিবে। আপাতত আমি তোমার এই ইস্তফা-পত্ৰ গবৰ্ণমেণ্টে না পাঠাইয়া আগামীকল্য পর্যন্ত তোমাকে মনঃস্থির করিবার সময় দিতেছি।” কলেক্টর সাহেবের পরামর্শ অনুসারে ছোটকাকা কাৰ্য করিয়াছিলেন বলিয়া বোধ হয় না । ইহার কয়েক মাস পরেই