পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


पत्र भी 2 द डा] क थी 8 を রেখার পোকামাকড় কৃমি বিটকাল, উচ্চিংড়ি ফড়িং পিপড়া পালে পাল, ক্ষান্ত হোক রোসে আগে করি কিলিবিলি ; ধীরে সুস্থে কোরো শেষে ফুটকুনি বিলি। " এক মেটে করিয়া করিবে কাজ ফতে। দো মেটে করিবে শেষে অবকাশ-মতে ৷ সিদ্ধিলাভ। প্ৰথমে প্ৰথম খণ্ডে পাকাইবে হাত । দ্বিতীয় খণ্ডের তবে উলটিবে পাতি ৷ মস্তকে মথিয়া লয়ে পুস্তকের সার। হস্তকে করিবে তার তুরুক সোয়ার। হইবে লেখনী ঘোড়-দোউড়ের ঘোড়া । আগে কিন্তু পাকা করি বাধা চাই গোড়া ৷ বড়দাদা গদ্যেও প্ৰবন্ধাদি অনেক লিখেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, সে সমস্ত একস্থানে পুস্তকাকারে মুদ্রিত হয় নাই। র্তার গদ্য-লেখা সামান্যতঃ দুই ভাগে বিভক্ত করা যেতে পারে।--দার্শনিক ७ माभाञ्जिक । তার সর্বপ্রথম দার্শনিক প্ৰবন্ধ “তত্ত্ব-বিদ্যা’ গ্ৰন্থাকারে প্ৰকাশিত হয়। কিন্তু সে অনেক কালের কথা, গ্ৰন্থখানি এখন পাওয়া যায় কি না সন্দেহ। সম্প্রতি কয়েকমাস ধরে ‘গাঁতাপাঠ’ নামক যে প্ৰবন্ধগুলি ‘প্ৰবাসী৷” মাসিকপত্রিকায় আমরা ঔৎসুক্যসহকারে পাঠ করেছি-গীতাশাস্ত্রের এই যে অপূর্ব মৌলিক ব্যাখ্যা-এটি সম্পূর্ণ অবয়বে যখন বেরবে, তখন ইহা গীতাধ্যায়ীদের পরম আদরের সামগ্রী হবে সন্দেহ নাই । ‘তত্ত্ব-বিদ্যা’ হতে আরম্ভ করে এই ‘গীতাপাঠ’ যদি সমাপ্তির মধ্যে গণ্য করা যায়-এই দুইয়ের মাঝখানে বড়দাদার লিখিত বিবিধ দার্শনিক প্ৰবন্ধ আছে, যেমন “সারসত্যের আলোচনা” “বিদ্যা এবং জ্ঞান”, “হারামণির অন্বেষণ’ “দ্বৈতা