পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


VbSq उाँ भां ब्र बां का क थाँ একজন বাঙ্গালী বাবু ময়ূরের উপর এসে অধিষ্ঠান করেছেন। মহিষাসুর বেচারার অবস্থা বড় শোচনীয়, সিংহের কামড়ে তার দক্ষিণ হস্ত অসাড়, এদিকে আবার সিংহবাহিনী দশভুজার বর্শাবিদ্ধ হওয়ায় তার আর নড়ন চড়ন নেই, এ সত্ত্বেও তার মুখে Milton-এর সয়তান সদৃশ কেমন একটা অদম্য বীরত্ব ফুটে বেরচ্ছে। পূজার সময় যাত্রা হত। কত রকম যাত্রাব দল এসে মহল্লা দিত, তাদের মধ্যে যা সেরা তাই বেছে নেওয়া হত । যাত্রায় বহুলোকসমাগম হত, উঠানটা লোকে লোকারণ্য। আমরা আদ্যোপান্ত সমস্তটা দেখতে পেতুম না, কেবল প্রথম ও শেষ ভাগে এসে বসতুম। প্ৰহলাদ চরিত্রে যে ছেলেটি প্ৰহলাদ সাজত তার বড় মিষ্টি গল, তার গানে সকলে মোহিত হয়ে যেত। প্ৰহলাদ কত প্ৰকার উৎপীড়ন সহ্যু করছে, আমরা তার দুঃখে অশ্রুপাত করতুম। এত উৎপীড়নেও তার ভক্তির স্বলন নেই। সে আপনাকে শোধরাবার কত চেষ্টা করছে কিন্তু সহস্ৰ চেষ্টাতেও তার চিরকালের অভ্যাস কোথায় যাবে। কালী কালী বলে ডাকি সদা এই বাসনা অভ্যাস দোষেতে তবু কৃষ্ণ বলে রসনা। কিন্তু যাত্রার গানের চেয়ে আমাদের সং দেখতে বেশী আমোদ হত । রামায়ণের পালাতে সঙের আসল ঘটা-এদিকে রাবণ কুম্ভকৰ্ণ প্রভৃতি রক্ষসের দল, ওদিকে আবার রামের বানর সৈন্য,- সবই সঙ্গীন ব্যাপার। আমরা সারারাত কিছু সভায় থাকতুম না, রাত্রিশেষে আমাদের ঘুম থেকে উঠিয়ে আনা হত। কোন ভাল অদ্ভুত রকম সং আসছে তাই দেখবার জন্যে আমরা তাড়াতাড়ি উঠে আসতুম। দেখতে দেখতে তিন দিন চলে গেল-বিজয়ী এল, প্ৰতিমা ভাসান দিতে নিয়ে যাবে-কি আপশোষা! দুৰ্গা অশ্রুপূর্ণ নয়নে বিদায় নিয়ে চল্লেন, মনে হত সত্যিই দেবীর চক্ষে জল এসেছে। বিজয়ার দিন প্ৰত্যুযে আমাদের গৃহ-গায়ক বিষ্ণু আগমনী ও বিদায়ের