পাতা:আমি শুধু একা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করে। মাইনে ভালোই পায়। তাই এ বাড়ির অন্য সব ভাঙােটর তুলনায় ৩ার অবস্থা স্বচ্ছলই। মেয়ে বাসন্তী কলেজে ভর্তি হয়েছে। ছেলেটা ছোট তবু তার জন্য পড়াব বন্দোবস্ত করেছে। সবরকমই। বাসস্তবাবুকে মাসকাধারে কিছু টাকা দিয়ে রেখেছে। পড়ানোর জন্য। সব দিক থেকে লতিকা এ বাড়ির অনেকের কাছে উঁচুতলার মানুষ। ওর স্বামী মহীমবাৰু কোন ধ্যাঙ্কে কাজ করে। লতিকা বলে। --জয়গা কিনেছি। মাসীমা, এবার একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই করে চলে যাবো । ততদিন কাটিয়ে দিই। এখানেই। ওই লতিকা একটু দিবানিদ্রা দিয়ে উঠেছিল। আজ, তখনও সুধাময়ীকে একগাদা ক্ষার কাঁচতে দেখে বলে । —-আপনি এখনও কাচবেন মাসীমা ? সাবিত্রীকে বললেন না কেন ? ও করে দিতো। সুধাময়ী বলে লতিকার কথায়। —ওর তো আবার স্কুল আছে, নিজেই কেচে নোেব। লতিকা শোনায় । --তবু আপনি পারেন, সাবিত্রীও দেখি করে কাজকম্মো। আমাদের তো লোকজন না থাকলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। এত কাচাকচি কাজকম্মো করলে হাত শক্ত হয়ে যাবে। এই নিয়ে কি কম টাকা জলে দিচ্ছি মাসীমা । আর ধোপার খরচার কথা दा०ा,<न्म =ा ! অর্থাৎ লতিকা শুনিয়ে দেয়। তার সংসারের খবরটাও, সুধাময়ীও বোঝে সেটা। এই দারিদ্র্যের ছািপটাকে সে আর ভয় করে না । সহ্য কবে নিয়েছে এখানে এসে । অতীতে তারও এই দিন ছিল না। এখন মুখ বুজে। সব সহ্য কয়ে সুধাময়ী সংসারের বোঝা টেনে চলেছে ধোপার গাধার মত। এ সব কিছু তবু সুধাময়ী সহজে মেনে নিয়েছে। তাই লতিকার কথায় পূলে এসব তো নিজেকেই করতে হয় বাছা!! জানো তো সংসারের হাল। এখনও আমু ফিরলো না। কোথায় যেন জরুরী কাজে যাবো বলে গেছে। লতিকা ওধোয় কৌতুহলভারে। --কাজকম্মো কিছু হল অমুর? २७