প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আৰ্যদর্শন। বৈশাখ ১২৮২ | | | Ye | | চতুৰ্ব্বিধ পুত্রের সহিত শুদ্ধ স্ত্রীর রক্তসম্বন্ধ আছে । (৮) দত্রিম (৯) কৃত্রিম (১০) অপবিদ্ধ (১১) ক্রীতক এবং (১২) স্বয়| দত্ত এই পঞ্চবিধ পুত্র গৃহীত বিভাগের | অন্তর্গত। এই পঞ্চবিধ পুত্রের সহিত গ্রহীতা বা গ্রহীত্বপত্নীর রক্তসম্বন্ধ থাকি তেও পারে না থাকিতেও পারে। | বর্তমান বঙ্গীয় হিন্দুসমাজ পুত্রত্ববিষয়ে | মনুর উদার ব্যবস্থা পরিত্যাগ করিয়া দায়ভায়প্রণেতা জীমূতবাহনের সঙ্কীর্ণ | ব্যবস্থা অবলম্বন করিয়াছেন। জীমূতবাহন পূৰ্ব্বোক্ত দ্বাদশপ্রকার পুত্রের মধ্যে শুদ্ধ | ঔরস ও দত্তক পুত্রকে স্বীকার করিয়াছেন। | তিনি আর দশপ্রকার পুত্রকে অস্বীকার করিয়া তাহাদিগকে সমাজ ও বিধির | বহির্ভূত করিয়াছেন। মনুকে এরূপ | অবমাননা করিয়া জীমূতবাহন হিন্দু | সমাজের উপকার বা অপকার করিয়াছেন তাহ নির্ণয় করা আবশ্যক। উপকার বা | অপকারের নির্ণয় করিতে গেলে দেখিতে হইবে বর্তমান সময়ে অবশিষ্ট দশপ্রকার | ব? তাহাদিগের মধ্যে কোন প্রকার পুত্রের | তাহ হইলে তাহাদিগকে সমাজ ও বিধির | বহির্ভূত করা অতি সঙ্কীর্ণমনা ও নৃশং uসর কার্য্য হইয়াছে সন্দেহ নাই । জী| মূতবাহন যে শ্রেণীর পুত্রকে বিধিবহিভূত | করিয়াছেন,আমরা পূৰ্ব্বেই উল্লেখ করিয়াছি যে সেই শ্রেণী হইতেই পুরাকালে অসংখ্য হিন্দুকুলতিলক উৎপন্ন হইয়াছেন। } যে ব্যাস ও পাণ্ডুপুত্ৰগণ না জন্মিলে মহা ভারতের স্বষ্টি হইত না, যে সতীত্বভূষণ | সীতা জন্মগ্রহণ না করিলে রামায়ণের স্বষ্টি হইত না, কোন পাষাণহৃদয় ব্যক্তি তাদৃশ পুরষরত্ন ও রমণীরত্বদিগকে হিন্দুসমাজ হইতে বহিষ্কৃত করিতে চাহেন আমরা জানিতে চাই। ইহঁাদিগম্বুক পরিত্যাগ করিলে হিন্দু পুরাবৃত্তে ঘোর অন্ধকার উপস্থিত হয়, হিন্দুসাহিত্যসিন্ধু শুকাইয়া যায়, হিন্দুহৃদয়ের প্রীতিস্রোত সংরুদ্ধ হয়। এক সীতার সতীত্ববলে ভারতললন। অদ্যাপি জগতের রমণীকুলের শিরোমণি হইয়া রহিয়াছেন, এক ব্যাসের রচনাবলে ভারতসাহিত্য জগতের সাহিত্যসমাজে অদ্যাপি উচ্চ সিংহাসন অধিকার করিতেছে,এক যুধিষ্ঠিরের ধৰ্ম্মবল দুৰ্ব্বল ভারতবাসীদিগের অস্তরে অদ্যপি ধৰ্ম্মবল প্রদান করিতেছে, এক ভীমের গদা ও এক অৰ্জু নের গাওঁব এখনও নিবীৰ্য্য আৰ্যসন্তান দিগকে ভাবী স্বাধীনতার আশা দিতেছে। ষে আর্য্য নামে আমরা এত গৰ্ব্বিত, যে আর্য্যনাম শুনিবামাত্র আমরা উন্মত্ত হইয়া উঠি, সেই আৰ্য্যনামের এত গৌরব ইহঁ | অস্তিত্ব সম্ভবপর কি না। যদি সম্ভবপর হয় | দিগেরই জন্য। আমরা ভারতবর্ষ পরিত্যাগ করিয়া পশ্চিমাভিমুখে গমন করি, সেখানেও দেখি এই শ্রেণীর পুত্রের গৌরবে ইউরোপের মুখ উজ্জ্বল। যে খৃষ্টীয় ধর্মের ও খৃষ্টীয় বীৰ্য্যের জয়ধ্বনি । এক্ষণে জগতের প্রায় সৰ্ব্বত্র প্রতিধ্বনিত } হইতেছে, যে খৃষ্টীয় বীৰ্য্যের নিকট অকুল | সাগর ও গগনম্পর্শী পৰ্ব্বতও আর দুরক্তব্য | নাই, সেই খৃষ্টীয়ধৰ্ম্ম ও খৃষ্টীয় বীর্যের প্র