প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৩০৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কাৰ্ত্তিক ১২৮২ | SSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSiSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSS नाप्लेकडिनग्न | উপবিষ্ট হইলেন। আলেকজাণ্ডার সসম্ভ,মে শয্যা হইতে গাত্ৰোখান করিয়া বসিলেন। র্তাহাদিগের চারিচক্ষু একত্রে মিলিত হইল। তখন বীরবর রাজবৈদমন্ত পত্র খানি দিয়া তাহার নিকট ঔষধি গ্ৰহণান ফিলিপ্স ঔৎসুক্য সহকারে যেমন পত্র পাঠ করিতে যাইবেন অমনি চমকিত জাণ্ডুর রাজবৈদ্যের মুখপানে একদা দৃষ্টি পাত করিলেন। দেখিলেন ফিলিপ সের মুখমণ্ডলে একদা ঘুণ রাগ উভয়ই প্রজ লিত হইতেছিল। ফিলিপস আস্তে আস্তে পত্র রাখিলেন। কিয়ৎক্ষণ নীরব হইয়া রহিলেন। র্তাহার হৃদয়ে ও মুখমগুলে সহস্র ভাব উদিত হইতেছিল । তৎপরে তিনি কহিলেন “ মহাশয় এবিষয় তুমি কিছুমাত্র না জানিয়া ঔষধি প্রস্তুত করি য়াছি। তাহ। আপনিও সেবন করিয়াছেন। কিন্তু আপনার যে প্রকার শঙ্কটসময় এবং আমার হস্তে আপনার প্রাণ যতদূর নির্ভর করিতেছে এমত আর কখন ঘটে নাই । এপ্রকার ঘটনায় আমি তত আশ্চৰ্য্য হই নাই, কিন্তু আপনার বিশ্বাস এবং ঔদার্য্য দেখিয়া আমি অধিকতর আশ্চর্য্য হইয়াছি।” আলেকজাণ্ডার কহিলেন এপ্রকার ঘট নায় যে আপনার প্রতি আমার বিশ্বাসের পরিচয় হইবে আমার এমত ইচ্ছা ছিল ন। আপনাকে যেরূপ অপ্রস্তুত দেখিতেছি | এক্ষণে ত্বরায় আমি প্রতীকার লাভ করি এই আমার নিতান্ত বাসনা হইতেছে।” ===" স্তর তৎক্ষণাৎ তাহা সেবন করিলেন। | হইয়া গেলেন। পত্রপাঠ সময়ে আলেক । এই দৃশো বাক্যদ্বারা অভিনয় করি বার অতি অল্পভাগই আছে। ইহার অদি কাংশই নীরনে অভিনয় করিতে হইবে। বাস্তবিক মানব হৃদয়ের অধিকাংশ ভাবষ্ট অপ্রকাশিত থাকে। হৃদয়ের যন্ত্রণা,আনন্দ উৎসাহ, আশা, নৈরাশা, লজ্জা, ভয়, কৃত জ্ঞতা প্রভৃতি কোন ভাবেরই সম্যক বাহা হইবার উপায় নাই । ভাষা, মুখ ভঙ্গিমা, এবং অঙ্গচালনা দ্বার। তাই। দিগের যে অংশ বাহিরে প্রকাশিত হয় তাহা নিতান্ত অসম্পূর্ণ। হৃদয় ভাবের প্রাবল্য ও গভীরতা প্রকাশ করিতে হইলে অপরের নিকট আত্ম-অবস্থার সমু দায় প্রকাশ করিয়া তাহার সহানুভূতি উৎপাদন করিতে হয়। অপরে যখন পরকীয় অবস্থার সমুদায় ভাব উপলব্ধি করিতে পারে, তখন তাহার সহানুভূতি জন্মায় এবং যে পরিমাণে,সহানুভূতি উৎ পাদিত হয় সেই পরিমাণে পরকীয় হৃদয়ভাব বুঝিতে পারে। যে নাটকীয় দৃশ্য এই প্রকার সহানুভূতি উৎপাদন করিবার বিশেষ উপযোগী, তাহার অভিনয়ে দর্শক গণের মনে বিশিষ্টরূপে ভাবোৎপাদন করাও যাইতে পারে। যে নাটক এই প্রকার দৃশ্যনিচয়ে পরিপূর্ণ তাহারই কল্পনা অতি উৎকৃষ্ট এবং সেই নাটকই উত্তমরূপে অভিনীত হইতে পারে। এই প্রকার নাটক নিৰ্ব্বাচন করিয়া অভিনয় করিতে পারিলে অভিনেতৃগণ অল্পায়াসে কৃতকাৰ্য্যতা লাভ করিতে পারেন। মানবের হৃদয়ভাব যে অল্প পরিমাণে

க W ২৯ ১ ।