প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৩১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কাৰ্ত্তিক ১২৮২ । उड़ि६ ও বিদ্যুৎ । So Y বৃথায় তাহার হৃদয়ধারণ । মদে এরূপ প্ৰমত্ত হইয়া তাছেন, | ইতিবৃত্ত পর্যালোচনা করিলে দেখা যায় যে এক এক সময় এক এক বিশেষ ঘটনা লইয়া প্রসিদ্ধ। আলেকজাণ্ডারের দিগ্নিজয়, নেপোলিয়নের বীরত্ব, নিউটনের আবিন্ধিয়া, লুথরের ধৰ্ম্মসংস্কার, বুদ্ধদেবের ধৰ্ম্মমত, মুদ্রান্ত্রের আৰিস্কিয়া প্রভৃতি দ্বারা যে এক এক সময় চিহ্নিত হইয়াছে তাহা ইতিহাসজ্ঞ ব্যক্তি মাত্রেই জানেন । যদি কেহ জিজ্ঞাসা করেন এই উনবিংশ শতাব্দী কিসের জন্য বিখ্যাত ? আমরা বলিব বিজ্ঞানের উন্নতির জন্য। অন্যান্য ঘটনার ন্যায় ইহার কার্য্য ও ফল নির্দিষ্ট সীমা-বদ্ধ নয়। এই উন্নতি-স্রোত ইয়ুরোপ ও আমেরিকা হইতে উৎপন্ন হইয়। সকল সভ্য দেশের মধ্য দিয়াই প্রবাহিত হইতেছে। কোন ২ দার্শনিকের মতে এই উন্নতিই সভ্যতা । তাহাদের মতে যে জাতি যে পরিমাণে ভৌতিক বল (Physical agent) করায়ত্ত করিতে পরিবে, সেই জাতি সেই পরিমাণে সভ্য। আমা B(= =ബ শিক্ষা, বৃথায় তাহার রুচি এবং যে তাহার নিকট পবিত্র মানসিক সেই | সুখের নিৰ্ম্মল বারি নিতান্ত বিস্বাদ বোধ হতভাগ্য কলুষিত ইঞ্জিয়মুখের ভোগ | হয়। তড়িৎ ও বিদ্যুৎ।

حصاصیتالي في الياباني-سي ඹිඳ– না হইলেও একটী প্রধান অঙ্গ। আর কতকগুলি অঙ্গ ইহার আনুষঙ্গিক। মানবজ্ঞান দুই প্রকার ; মন-সম্বন্ধীয় ও পদার্থ-সম্বন্ধীয়। প্রথম, দ্বিতীয়ের সাহায্য-সাপেক্ষ । প্রথম দর্শন শাস্ত্রের আলোচ্য ; দ্বিতীয় বিজ্ঞানের বিষয় । অতএব বিজ্ঞানের উন্নতিতে যে মানসিক উন্নতি সাধিত হইবে তাহাতে আর সংশয় ধনাই। পুরাবৃত্তে দেখা যায় যে ভারতবর্ষ গ্রীস, রোম প্রভৃতি যে সকল দেশ আদিম সভ্যতার জন্য বিখ্যাত, সে সকল দেশে বিজ্ঞানের চর্চা এত দূর ছিল, য এই উনবিংশ শতাব্দীতেও অনেক সভ্য দেশে সেরূপ নাই। ফলতঃ বৈজ্ঞানিক উন্নতি যে সভ্যতার একট প্রধান অঙ্গ ও চিন্তু ইহাতে আর সন্দেহ নাই । এই উন্নতি সাধিত হইয়াছে বলিয়াই উনবিংশ भलाशैब ७ड गडाउङ्किांन, ७ई डैशडि সভ্যসমাজ মাত্রেই একটী নব জীবন দের মতে ইহা সভ্যতার একমাত্র অঙ্গ প্রদান. করিয়াছে । সমাজ সকল হইয়াছে - জ্ঞানের বিষয় বাড়িয়াছে ।

  • ===