প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৩২৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| ৩১২ : ਾਂ | আর্য্যদর্শন । । কাৰ্ত্তিক ১২৮২। | | রিক্ত একটী অতীত সৌন্দৰ্য্য। এক একটা বৃক্ষের সৌন্দৰ্য্য হইতে একটী মহারণ্যের | সৌন্দৰ্য্য অধিকতর ; এক এক বিন্দু জল হইতে মহাসাগরের সৌন্দৰ্য্য অধিকতর, এক এক খণ্ড প্রস্তর হইতে বিশাল বিস্তৃত অভ্ৰভেদী হিমালয়ের সৌন্দর্য্য অধিকতর। বস্তুর ন্যায্য সমাবেশেও সৌন্দর্যের উৎ পত্তি হইয়া থাকে। যথা, চিত্রপট, তক্ষণ মূৰ্ত্তি, আলোকমালা প্রভৃতির যথাযথ সংস্থানে নাট্যশালার শোভা ; বৃক্ষাবলি, পকূল, প্রস্রবণ, আলবাল, পথাবলির দেখিতেপাইন,তথাপিস্থষ্টি মধ্যে উহা সম্ভব । ও হইতে পারে । বাল মিকী সীতায়, এবং স্থশ্রেণি সম্বন্ধে ও যথা সংস্থানে বিলাসউদ্যানের শোভা ইত্যাদি। আমরা এক্ষণে কল্পনার সৌন্দর্যের | কথা বলিতেছি। কল্পনার সৌন্দৰ্য্য | দুই প্রকার ; সম্ভব সৌন্দৰ্য্য এবং অসম্ভব সৌন্দর্য্য। যাহা স্বষ্টি মধ্যে আমরা সচরাচর দেখিতে পাই না, অথচ স্কৃষ্টির,নিয়মা| মুসারে সম্ভব যাহা আমরা আকাঙ্কায় মাত্র সাজাইয়া দেখি, তাহাই সম্ভব সৌন্দৰ্য্য। আর যাহা কৃষ্টি মধ্যে দেখিতে | পাই না, স্বষ্টির নিয়মানুসারে সম্ভবও নয়, 1 আকাজারও যাহার সহিত সংস্রব নাই, তাহাই অসম্ভব সৌন্দৰ্য্য। বাল্মীকির | সীতা, সেকসপিয়রের ডেসডিমন ও লিয়র | এবং পুরাণের হরিশ্চন্দ্র প্রভৃতি সম্ভব | লীেদর্ঘ্য। আমরা দুর্দশা, বিচ্ছেদ, প্রলোভন, উৎপীড়ন, অপবাদ, এবং প্রাণনাশেও প্রণয়কে পবিত্র ও অটল দেখিতে আকাক্ষা করি ; কিন্তু স্বষ্টিমধ্যে যদিও ७३ পারে না, আজন্ম বধিরও কখন স্বরের দিগের ইন্ত্রি জ্ঞানের বস্তু লইয়াই কল্পন করে, কিন্তু তাহার উপাদান সমস্তই সকলবিক পরীক্ষায় উজীৰ্ণপ্রণয় সচরাচর হইল, পর সেকসপিয়র ডেসডিমোনায় সেই আকাজিক্ষত मूर्डि রচনা করিলেন । মানুষের আকাঙ্ক্ষ পূরণের নিমিত্ত সৰ্ব্বত্যাগী হওয়া আমরা আকঞ্জা করি, কিন্তু স্বষ্টি মধ্যে তাহার সচরাচর উদাহরণ দেখিতে - পাই না, সেকসপিয়র লিয়রে ও পূরাণ হরিশ্চন্দ্রে সেই আকাঙ্ক্ষিত গুণ বিদ্যমান দেখাইয়াছেন। - দেবতা, অপসরা, গন্ধৰ্ব্ব, কিন্নর, যক্ষ, প্রভৃতি ভারতীয় কবিকল্পনা ও হোমরের কালিপূস, সেকসপিয়রের এরিয়েল, প্রভৃতি এসমস্ত অসম্ভব সৌন্দর্য্য—অর্থাৎ ইহারা সৃষ্টির অতীত সৃষ্টি । কিন্তু ইংtা স্বষ্টির অতীত স্বষ্টি হইলেও স্বষ্টি ছাড়া কিছুই নয় ; যে হেতু স্বষ্টিছাড়া আমাদিগের কিছুরই জ্ঞান নাই ; স্বাক্টতে যাহা দেখিয়াছি, গুনিয়াছি বা অনুভব করিয়াছি, তাহাতেই আমাদের জ্ঞানের সীমা, এবং সেই জ্ঞানের অতীভ কল্পনারও কিছু রচনা করিবার সাধ্য নাই। জন্মান্ধ ব্যক্তি কখন বর্ণের কল্পনা করিতে ভাব অনুভব করিতে পারে না। আমা- | ভাঙচুর করিয়া অন্য মূৰ্ত্তি সকল রচনা | श्fइव । अशन हि স্বচ্ছ জলের প্রতি

  • R******"