প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৪৫৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*—------------------------_-_------- or--- =Notik*:#F 88 R. K-F-o তার্য্যদর্শন । মাঘ ১২৮২ | দীপক কোন উপযুক্ত সংস্থিত উপাখ্যানে আমরা যে আনন্দ অনুভব করি, তাহা হয়ত কবি-কল্পিত মানব প্রকৃতির মহত্ত্ব দর্শনে হইয় থাকে, না হয় উহা বাহ্য বিশৃঙ্খল কাৰ্য্য ঘোতের সহিত উন্নত-প্রকৃতি বস্তু সকল যে সংস্থিত রহিয়াছে তাহ দেখিয়া উৎপন্ন হইয়া থাকে ; অথবা এই উভয় দেখিয়াই উৎপন্ন হইবার সম্ভব । * শ্লেগেল, যেমন অপর সকলমতের বিরুদ্ধে বলিয়াছেন, আমরাও তেমনি তাহার মতের বিরুদ্ধে বলিতে পারি, যে উৎকৃষ্ট এমন অনেক দুঃখ-প্রবল উপাখ্যানে আমরা মানব প্রকৃতির মহন্ত, দর্শনের

  • The satisfaction, therefore, which we derive from the representation, in a good tragedy, of powerfull situations and over. whelming sorrows, must be as: cribed either to the feelings of the dignity of human nature, excited in us by such grand instances of it, as are therein displayed, or to the trace of a higher order of things, impressed on the apparently irregular course of events, and mysteriously revealed in them : or perhaps to both these causes conjointly. -

(Schleogel's dramatic literature chap V. ) কিছু বলিব । বিপরীতে, উহার দৌৰ্ব্বল্য ও অবনতিই দেখিয়া থাকি। যদি কেহ সিরাজদৌলাকে নায়ক কৰিয়া দুঃখ প্রবল কোন উপাখ্যান লেখে, এবং তঁাহার চরিত্রকে ভীরুতা, দৌৰ্ব্বল্য ভোগাসক্ততা প্রভৃতি তুচ্ছ গুণে সজ্জিত করে, তত্ৰাচ দুদৈবের ঘোর কুচঞ্জে পতিত নিঃসহায় সিরাজদেলার মৃত্যু দৃশ্যে আমাদের কম উত্তেজনা হইবে না। আমাদের মন তখন মানব প্রকৃতির মহত্ত্ব,নীচত্ব বিচার ভুলিয়া গিয়া, সমদুঃখে দুঃখী হইয়া পড়িবে। কি কারণে যে মন দুঃখজনক ও ভয়স্কর দৃশ্য দেখিতে কৌতূহলী হয়, তাহ মনই জানে ; উহ মনস্তম্ভ,বিজ্ঞানের একটি জটিল, দুজ্ঞের প্রশ্ন। মহান, মানব কেন, আমরা সামান্য পশু পক্ষীর দুঃখ দেখিতেও সময়ে সময়ে ধাবিত হই, এবং এই দুঃখ যে পরিমাণে অধিক এবং ঘোরতর, সেই পরিমাণে উহা আমাদের উপভোগের বস্তু হইয়া উঠে। দুঃখের সহিত দুঃখ বোধ করা, এবং ভয়ঙ্কর দৃশ্যে ভীত হওয়া, মানব প্রকৃতির এক প্রকার মুখ । ইহার কোন সমবায় কারণ আছে, আমাদের বোধ হয় না ; ইহার কারণ জিজ্ঞাসা করিলে আমরা এই মাত্র বলিতে পারি, ইহা মানবের প্রকৃতি। কবি মানবের এই প্রকৃতিগত ইচ্ছা বুঝিয়াই, তদনুরূপ উপাখ্যান রচনা করিয়া থাকেন। দুঃখান্ত উপাখ্যানের আন্তঃসার কি, আমরা এক্ষণে তদ্বিষয়ে تتتشتت تنتشنسنسنة