প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৫২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


-ജ്ജ ফাঙ্কণ ১২৮২ | কোন কোন দেশের পক্ষে কি প্রকার শাসনপ্রণালী বিশেষ উপযোগী তদ্বিষয়ের মীমাংসা করা উচিত। কোন প্রকার শাসনপ্রণালী কি পরিমাণে অনর্থের - ー一で-QXエーXユベート一 বজাঘাতে মৃত্যু। --سبتoچھا: ہتھی---- আমরা মৃতুকে ভয় করি কেন ? যাহা দের জন্য আজীবন দুঃখে শোকে, উঠিয়া পড়িয়া এতকাল অতিবাহিত করিলাম, যাহাঁদের মুখ দেখিলে সমস্ত কষ্ট বিদূরিত ও মুখ দ্বিগুণিত হয়—যাহারা) হৃদয়ের অতি নিকটতম,অধিক কি যাহাঁদের সহিত আমাদের জীবন একসূত্রে বদ্ধ, তাহীদের নিকট হইতে হয়ত চিরকালের মত যাইতে হইবে—যে সকল আশা যে সকল ইচ্ছ। যত্নের সহিত হৃদয়ে ধারণ করিয়াছিলাম এবং যাহাদের জন্য কত অসাধ্য সাধন করিয়াছি, সেই সকল একেবারে জলা ঞ্জলি দিতে হইলে এই সকল ভাবিলে কি চিত্ত ভীত হয় না ? অপরন্তু এত ত্যাগ স্বীকার করিয়াও, সমস্ত বিসজ্জন দিয়াও, মৃত্যুর পর আবার আমাদের কি পরিণাম হইবে ?—কোন পরিণাম হইবে কিনাদি কিছু হয়ত নরক বা তৎসদৃশ যন্ত্রণা ভোগ সে পরিণামের প্রকৃতি কি না এবম্বিধ চিন্তা উৎপত্তি সকল হইতেও কি उग्नन्न श्ञ मl ? दक्षुउ:

  • mus

উচ্ছেদ এবং অভীপ্তিাত পদার্থের রক্ষণবক্ষণে কৃতকার্ষ্য হইয়াছে ক্রমশঃ তাহার আলোচনা কুর যাইবে। - (ক্রমশঃ) শ্ৰীচন্দ্রমোহন মজুমদার। এসমস্ত ভাবিলে সকলেরই চিত্ত ভয়ে বিহ্বল হয়। কিন্তু এ সকল ভিন্ন কি ভয়ের আর কোন কারণ নাই ? পাঠক! যদি কখন হৃদয়ে মৰ্ম্মভেদী আঘাত পাইয়া থাক, যদি কখন নৈরাশ সমুদ্রে ডুবিয়া থাক, তবে তুমি অনুভব করিতে পারিবে যে কখন কখন মানব হৃদয়ে এমন তরঙ্গ উঠে যে জীবনের কোন রন্ধনই মানস-তরি বাধিয়া রাখিতে পারে না, তখন উহা সকল বন্ধন ছিন্ন করিয়া বেগে প্রধাবিত হয়। তখন আর পরিণামের ভয় থাকে না । তখন অন্তরস্থিত প্ৰজলিত বহির নিকট নরকাগ্নিও তুচ্ছ বোধ হয়। তখন ইচ্ছা হয় এই দণ্ডে জীবনের শেষ হউক। কিন্তু তথাপি মরিতে সাহস হয়না কেন? যিনি কোন মুম্ব, ব্যক্তির কণ্টক-শয্যায় বিলুণ্ঠন দেখিয়া ছেন—যিনি কোন গলরজ্জ্ব ব্যক্তির বিকট বদন ও অঙ্গ বিক্ষেপ দেখিয়াছেন—তিনি বলিতে পারেন কেন। তিনিই জানেন মৃত্যুর সহিত কত যন্ত্রণার