প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


V)2 আৰ্যদর্শন l জ্যৈষ্ঠ ১২৮ং। করিয়া থাকে। আমাদিগের ব্রিটিশ গবর্ণ মেণ্ট রাজকীয় দাসত্বে যাহারা অধিকতর | কাৰ্যকুশল হন তাহাদিগকে রায় বাহাঁছর প্রভৃতি উপাধি দিয়া প্রতিষ্ঠিত করেন। আমাদিগের পুরুষ জাতিও তেমনি স্ত্রীজাতির জড়তা, নীরবতা ও সহিষ্ণুতা দেখিয় যে তাহাদিগের সতীত্বের প্রশংসা ও গৌরব করিবেন এ বড় আশ্চৰ্য্য নহে। আমরা জ্ঞান করি, স্বাধীন সমাজের স্ট্রীজাতি অধিকতর অসতী; ইহা অামাদি. গের একটি কুসংস্কারমাত্র। এই কুসংস্কারটি আমাদিগের বিবেচনার দোষের ফল । আমরা যে সমাজে অবস্থিত আছি, সে সমাজের কঠিনতর নিয়মাদিতে আমরা চির অভ্যস্ত হইয়াছি। আমাদিগের জ্ঞান হয়, ইহার কথঞ্চিৎ অন্যথায় ব্যাভিচারের ইয়ত্ব থাকিবে না। এই মনের ভাব আমরা স্বাধীন সমাজে অপর্ণ করি। কিন্তু স্বাধীন সমাজের প্রকৃতি ও ভাব কিছুই চারের কথা শুনিয়া আমাদিগের কুসংস্কার আরও, বদ্ধমূল হইতে থাকে। কারণ | অনুকূল ষ্টান্ত কুসংস্থারকে ক্রমশ বদ্ধমূল বদ্ধমূল হইলে তাহ শীঘ্র অপনীত হইবার নহে। স্বাধীনতার প্রতি কার্য্যে, প্রতি শিষ্টাচারে, প্রতি রীতিতে আমরা কেবল যথেচ্ছাচারিতারই নিদর্শন দেখিতে থাকি। যে সমস্ত দৃশ্য আমাদিগের অভ্যাসের বহিভূত তাহতেই আমরা অপবিত্র ভুব আরোপিত করি। স্বাধীন সমাজে অবগত নহি সময়ে সময়ে দুই একটি বাভি করিবেই করিবে। একবার কুসংস্কার । যেসমস্ত সামান্য কার্য্যে কিছুই অপবিত্র ভাব আরোপিত করে না, আমাদিগের অনভ্যাস নিবন্ধন, তাহাতে আমরা কুত্ত্বাব আরোপিত না করিয়া থাকিতে পারি না । তাহা Fামাদিগেরট চক্ষের দোষ, মনের দোষ। স্বাধীন হই हेच्ख्ख्ः গমনাগমন করাই প্রথমতঃ আমাদিগের পক্ষে অসহ্য ও পাপময় জ্ঞান হইয়াছে। সুতরাং তৎপরে সকল ঘটনাই দুর্নীতি বলিয়া বোধ হয়। কিন্তু আমরা স্বাধীন সমাজের ধৰ্ম্মবল কিছুই অবগত নহি। সেখানে প্রণয় পরের বলকর্তৃক আবদ্ধ নহে, তাহা স্বাধীন ভাবে প্রবাহিত হয়। সেথানে স্বয়ম্বর প্রথা প্রচলিত আছে। সেখানে চিরবৈধব্য প্রচলিত নাই। সেখানে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর যেমন শাসন, আবার স্বামীর প্রতি স্ত্রীরও তেমনি শাসন। দম্পতীর, পরস্পরের সুখে সুখী। স্ত্রী সুশিক্ষিতা, পুরুষও সুশিক্ষিত। স্ত্রী যেমন পতির সহচরী, পতিও তেমনি স্ত্রীর সহচর। লোকের চক্ষুলজ্জা ও সামাজিক ভয় অধিকতর। স্বাধীন সীমাত্রেই যে ব্যভিচারিণী হইবে, এরূপ সকলে জ্ঞান করিতে পারেনা। পুরুষ জাতির সমধিক বিবেচনা করিয়৷ চলিতে হয়। স্ত্রীজাতির ধৰ্ম্মবল অধিকতর। | পুরুষমাত্রেই ত্বরায় ব্যাভিচারী হইতে পারেনা। কারণ বিবাহিত পুরুষমাত্রেই স্ত্রীদ্বারা সুরক্ষিত। এই প্রকার সকল বিষয় যদি আমরা সম্যকৃরূপে স্থির | বুদ্ধিতে নিরক্ষেপ হইয়া বিবেচনা করি, | ==