পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/১৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জ্যৈষ্ঠ, ১৩২০ ৷৷ পুরাতন প্ৰসঙ্গ । $२१' আর নিমন্ত্রণ রক্ষা করিতে গেলাম না। এমনইত্যর কত ছোট বড় কথা লইয়া তাহার কাছে উপস্থিত হইতাম । তাম্রকুট সেবন করিতে তিনি বড়ই ভালবাসিতেন ; সাটুকা নল লাগাইয়া নহে, হুক চব্বিশ ঘণ্টাই তাহার হাতে gBDBSS SDD uBBLD DDDDS DBBDDD DBBBuDBBD DDD DDD SBDDDD তামাক কিছুই সেবন করিতেন না। “बिछानांशज्ञ मित्र छांद्धाबद्द्श्ान् कष्ठ ब्रशे कब्रिष्ठम ! श्रश्न उिनि সংস্কৃত কলেজের ছাত্র ছিলেন, তখন সাহিত্যের অধ্যাপনাকাৰ্য্য জয়গোপাল তর্কালঙ্কার নির্বাহ করিতেন । ইনি অতি সুরসিক, সুলেখক, ভাবগ্ৰাহী ও সহৃদয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন বটে, কিন্তু পড়া শুনা বড় একটা তঁহার কাছে কিছু হইত না । শ্লোকটা আবৃত্তি করিলেন ; ব্যাখ্যা আরম্ভ করিলেন, কিন্তু অৰ্দ্ধেক ব্যাখ্যা হইতে না হইতেই তঁহার ‘ভাব লাগিয়া” গেল, গলার স্বর গদগদ হইয়া উঠিল, “আহা, হা, দেখ দেখি, কেমন লিখেছে।” এই বলিয়া তিনি কণ্ঠরুদ্ধ হইয়া বসিয়া রহিলেন, তাহার গণ্ডস্থল অশ্রুজিলে প্লাবিত হইয়া গেল ; সেদিনকার মত পড়া এই স্থানেই সমাপ্ত হইল। কিন্তু সংস্কৃত শ্লোক রচনা করিতে র্তাহার বিশেষ একটি ক্ষমতা ছিল ; আমার বোধ হয়, প্ৰেমচান্দ তর্কবাগীশ তাঁহারই হাতে গড়া । প্ৰেমচান্দ তর্কবাগীশের পর প্রকৃত কবিতাপদবাচ্য সংস্কৃত শ্লোকরচনা এক প্রকার উঠিয়া গিয়াছে বলিলেই হয়। জয়গোপাল তর্কালঙ্কাবের দুইটি কবিতা আমার মুখস্থ আছে। বৰ্দ্ধমানের মহারাজা কীৰ্ত্তিচন্দ্ৰকে न(शांक्षम कलिश। डिनि लिथिtडgछन,- ত্বৎকীৰ্ত্তিচন্দ্ৰমুদিতং গগনে নিশাম্য BDD KBDBKYDDKYS শ্ৰীকীৰ্ত্তিচন্দ্রনৃপ কজ্জললাঞ্ছ নেন। প্ৰেয়াংসমন্ধয়ন্দসৌ ন বিধৌ কলঙ্কঃ ॥ DD BBTBuD DDBDDK S BBD DB LLuDDK T BBBS BDBD হইয়াছে ; ইহা দেখিয়া চন্দ্রের পতিব্ৰতা পত্নী রোহিণীরও মনে শঙ্কা হইল। যে, পাছে তাহার স্বামীকে সে চিনিতে না পারে ; এই ভাবিয়া তিনি আপনার স্বামীর গায়ে একটি দাগ দিয়া রাখিলেন, তাহাই আমরা চন্দ্রের কলঙ্ক বলিয়া থাকি । “দ্বিতীয় শ্লোকটি রচিত হয়, যখন মেকলে প্রভৃতি য়ুরোপীয়ের সংস্কৃত