পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SA8 "আৰ্য্যাবৰ্ত্ত । ৪র্থ বর্ষ - ৪র্থ সংখ্যা । কঁাদিতে কঁাদিতে সুজা উদ্দৌলাকে সব কথা বলিল। তাহার কথার তীব্র তিরস্কার সুজা উদ্দৌলার হৃদয় বিদ্ধ করিল। তিনি এত দিন যে ভ্রান্ত সন্মানজ্ঞানের কঠোর আবরণে আপনার মেহকে বদ্ধ করিয়া রাখিয়াছিলেন আজি শোক দারুণ আঘাতে সেই আবরণ চুৰ্ণ করিয়া দিল। স্নেহের কোমলতায় সুজা উদ্দৌলার কঠিন হৃদয় কোমল হইয়া গেল। তঁহার মনে হইল, তিনি স্বহস্তে র্তাহার মেহের একমাত্র অবলম্বনকে হতা कशिाgछन । কন্যার শব্ব জড়াইয়া সুজা উদ্দৌলা কাদিতে লাগিলেন—“আমি তোকে क्षड) कवि शांछि ।” BBBDD BBBD KBB BDB BDSSYKJES SSDDDD DDDLDD DBBD করা হইল । সুজা উদ্দৌলা সে দিন কাহারও সহিত সাক্ষাৎ করিলেন না। -- সমস্ত দিন রাত্ৰি কন্যার কক্ষ ভুলুষ্ঠিত হইয়া ক্ৰন্দন করিলেন । পরদিন প্ৰভাতে মান মুখে তিনি রাফি উদ্দীনের গৃহে উপনীত হইলেন। রাফি উদ্দীন তখনও জীবন-মরণের সন্ধিস্থলে । তাতার ভগ্ন পদ কৰ্ত্তন করা হইয়াছে। তপে চিকিৎসক বলিয়াছেন, তাহার মত সবল শরীরে আশঙ্কার কারণ স্বভাবতঃই অল্প । জনরিবের সহস্র রসনা গুলবদনের মৃত্যুবাৰ্ত্তা দিল্লীতে রটাইয়াছিল । রাফি উদ্দীনও সে কথা শুনিয়াছিল। তাই সুজা উদ্দৌলাকে দেখিয়া তাহার মুখভাবে ক্ৰোধ অভিব্যক্ত হইল। কিন্তু সে আত্মসংযমে অভ্যস্ত-ক্রোধের কোন চিহ্ন প্ৰকাশ করিল না । সুজা উদ্দৌলা কাদিয়া বলিলেন, “আমি আমার কন্যাকে হত্যা করিয়াছি, তোমার সর্বনাশ করিয়াছি । আমি মকায় যাইয়া আত্মপ্লানিতে এ পাপের প্ৰায়শ্চিত্ত করিয়া ধৰ্ম্মে শান্তির সন্ধান করিব, নহিলে আমার হৃদয়ের এ নরকানল নিৰ্বাপিত হইবে না । আমি আমার সমস্ত সম্পত্তি তোমাকে দিয়া যাইতেছি ।” রাফি উদ্দীন মুহূৰ্ত্ত নীরব রহিল ; তাহার পর বলিল, “যে গুলবদনের মৃত্যুর কারণ আমি তাহার অর্থ স্পর্শ করিতে পারিব না। আমি দরিদ্র-- অর্থে আমার প্রয়োজন নাই। বাদশাহের বংশের অর্থের লোভও আমার