পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৩৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


air, Yvo o অধিকার । ৩৩৫ তেছে। এখন আর র্তাহারা কিছুতেই স্থির থাকিতে পারিতেছেন না। প্ৰভা আপনাকে পিতামাতার এই দুশ্চিন্তার কারণ জানিয়া শুক্তিমধ্যে মুক্তার ন্যায় আপনাতে আপনি কুষ্ঠিত হইতেছে । উমাতারা আজ আর রামশরণকে কিছুতেই ছাড়িতেছেন না ; যেমন করিয়া হউক, শীঘ্রই কন্যার বিবাহ দিতে হইবে। “এখনও যে কন্যার বিবাহের চেষ্টা করিতেছ না ! ইহার পর যখন সমাজের নিন্দা সহিবে, তখন কি হইবে ?” ইহাই বলিয়া উমাতারা মুখ ভার করিলেন। তিনি মনে করিতেন, রামাশরণ প্রভার বিবাহসম্বন্ধে তাত মনোযোগী নহেন । উমাতারার কথা শুনিয়া রামশরণ কহিলেন, “নিরুপায়ের উপায় ভগবান। তিনি যাহা করেন, তাহাই হইবে। ” “কিন্তু ভগবান ত আর নিজে আসিয়া সব করিবেন না । তোমাকেই ত চেষ্টা করিতে হইবে ।” “আমি কি আর চেষ্টা করিতেছি না ? আমাকে বাহিরে যেরূপ দেখ, ভিতরেও কি আমি সেইরূপ ? এই সোনার পুতুল লক্ষ্মীটিকে ত আর যাহার তাহার হাতে সপিয়া দেওয়া যায় না ! তাহাতে আবার আজকাল সুপিাত্র পাওয়া যেরূপ কঠিন এবং তাহার যে দর, তা স্থাই ভাবিয়া আমার প্রাণ শিহরিয়া উঠে। কিন্তু দুশ্চিগার লক্ষণ বাহিরে প্রকাশ পাইলে পাছে প্রভার আরও কষ্ট হয়, তাই আমি সে ভাব গোপন করি।” বলিতে বলিতে রামশরণের চক্ষুদ্বয় আদ্র হইয়া উঠিল। স্বামীর মনে ব্যথা দিয়াছেন ভাবিয়া উমাতার লজ্জিত হইলেন । রামশরণ কহিলেন, “তুমি কোন অন্যায় কাব্য করা নাই। তুমি তোমার স্বামীকে তাহার কৰ্ত্তব্যের কথা স্মরণ করাইয়া দিয়াছ মাত্র ।” ইহা শুনিয়া উমাতারার বুক হইতে একটা বিষম। ভার নামিয়া গেল । “সন্মুখে পূজার ছুটী, সে সময় রমেশ বাড়ী আসিবে। সেও এখন বড় হইয়াছে। তাহার সহিত পরামর্শ করিয়া যাহা হয় করা যাইবে।” রমেশের কথা শুনিয়া উমাতারা অন্য কথা ভুলিয়া গেলেন। মাতৃস্নেহ র্তাহার বক্ষে উদ্ধৃসিত হইয়া উঠিল। ( R ) দেখিতে দেখিতে পুজা আসিল । মা আনন্দময়ীর আগমনে শোকতাপক্লিষ্ট বাঙ্গালীর স্নান মুখে আবার হাসি ফুটিল। বর্ষার মেঘাচ্ছন্ন স্নান সুৰ্য্য