পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৪৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভাদ্র, VTo 叠 fois लाख्यु 8ంసి সেই মহাশক্তির চিরন্তনতাই বিবাহের সার্থকতা নহে কি ? কিন্তু এখন যাহা আছে, কালে যে আর তাহ থাকে না ! ক্ৰমে বিবাহের দিন আসিল এবং আমি পাল্পীতে চড়িয়া বিবাহ করিতে গেলাম। সঙ্গে গেলেন আমার পিতা, নাপিত, পুরোহিত ও আমাদের গ্রামের একজন মাতকাবর ব্যক্তি । মশালিধারী যে একজন গিয়াছিল। তাহাকে অসঙ্কোচে বরযাত্ৰিশ্রেণীভুক্ত করিতে পারি না। দুই ক্ৰোশমাত্র পথ চলিয়া আমরা বিবাহবাড়ীতে উপস্থিত হইলাম । বিবাহবাড়ী বলিলে লোক কল্পনা করিয়া লয় যে, সে বাড়ীতে লোকজনের অধিক বা অল্প হুড় এবং দুই চারিটি উজ্জ্বল আলোক থাকিবেই থাকিবে। তবে ফলাহারের ব্যবস্থাটি সকল স্থানে উল্লেখযোগ্য হয় না । কিন্তু আমরা যে বিবাহবাড়ীতে আসিলাম তথায় লোকজনের সোরগোল কিছুমাত্র ছিল না। একটিমাত্র লোক বাড়ীর বাহিরে পথের ধারে একটি কেরোসিনের ল্যাম্পের সম্মুখে বসিয়া তামাক টানিতেছিলেন। তিনিই আমার ভাবী শ্বশুর। মুখের কথা যতদুর মিষ্ট হইতে পারে, এবং বাহ্যিক ব্যবহারে যতদূর সরলতা দেখান যাইতে পারে, তাহার সহিত তিনি আমাদিগকে বসাইয়া ব্যস্তভাবে কোথায় গেলেন, এবং অনিতিবিলম্বে চ্যারি জন লোক সঙ্গে লইয়া ফিরিয়া আসিলেন। তাহাদের মধ্যে একজন নাপিত, একজন পুরোহিত, এবং অবশিষ্ট দুইজন । उथलाक-कछांशाली । কন্যাযাত্রীদের মধ্যে যিনি বয়োজ্যেষ্ঠ তিনি আমাদের সম্মুখে আসিয়াই তঁহার হস্তস্থিত কলিকাসংলগ্ন হুক দুই হস্তে মস্তকদেশে উত্তোলন করিয়া বলিলেন, “‘ব্ৰাহ্মণেভ্যো নমঃ ।” তাহার সঙ্গীটিও তঁহার অনুকরণ করিলেন। আমাদের পুরোহিত ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় এবং আমার পিতা হস্ত উত্তোলিত করিয়া নিঃশব্দে প্ৰত্যভিবাদন করিলেন । তাহার পর কথাবাৰ্ত্তা আরব্ধ। श्शेन । “কখন আসা হল আপনাদের ? পথে কোন কষ্ট হয় নাই তা ?--?? “কিছু না ! কষ্ট কিসের ?......” “আহা ! ব্ৰাহ্মণ বড় গরীব, আপনি যে দয়া করিয়া এ ব্ৰাহ্মণকে কন্যাদায় হইতে উদ্ধার করিতেছেন, ইহাতে আমরা সকলেই সুখী ।...” ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় দুই তিনটি সংস্কৃত শ্লোক না আওড়াইয়া থাকিতে পারিলেন না, এবং ভদ্রলোকদ্বয় যে শ্লোকের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করিয়াছেন ঈষৎ ܣ