পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/৫৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিমন্ত্রণ-রক্ষা । ( . ) রবিবারে কলেজে “ডিউট’ ছিল না। সুতরাং পরম নিশ্চিন্ত মনে চা পান করিতে করিতে বন্ধুবরের নিমন্ত্রণ পত্ৰ পড়িতেছিলাম । শ্ৰীীরামপুর হইতে । তিনি লিখিয়াছেন যে, আগামী শুক্রবার বৌভাত । সে দিন আমার কোনও । ওজার-আপত্তি গ্রাহ হইবে না। বিবাহের দিন যাইতে পারি নাই। বৌ ? ভাতের দিন না। যাইলে তিনি আমার অপরাধ কোন মতেই মার্জনা করিবেন । না। আজ রবিবার ; শুক্রবারের রাত্ৰিতে বৌভাতের নিমন্ত্রণ। এখনও যথেষ্ট সময় আছে। সকালের ডিউটি সারিয়া যাত্ৰা করিলেই চলিবে । আমার যাইবারও বিলক্ষণ ইচ্ছা আছে। বান্ধবী দেখিতে কেমন, বন্ধুর মনের মত হইয়াছেন কি না, প্ৰত্যক্ষ করিয়া আসিতে হইবে। পত্রের ভাষা যেরূপ। আবেগপূর্ণ, উচ্ছাসে ভরা, তাহাতে অনুমান হয় যে, বন্ধুবর খোস মেজাজে আছেন । অনেকের ধারণা, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্ররা শুধু ঔষধের তালিকা মুখস্ত করে এবং মড়া কাটিয়া বেড়ায়। পৃথিবীর আর কোনও ব্যাপারে। তাহাদের তেমন আসক্তি নাই ; কোন খবরই রাখে না। হয় তা কোন কোন ক্ষেত্রে কথাটা আংশিক সত্য হইতে পারে ; কিন্তু আমাদের মেসের ছাত্রদের সম্বন্ধে এ কথাটা আদৌ সত্য নহে। সকলেই মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র বটে ; ঔষধের তালিকা তাহাদের কণ্ঠাগ্রে বিরাজিত, মড়া কাটিতেও তাহারা সিদ্ধহস্ত বটে; কিন্তু তাই বলিয়া মেসে বঙ্কিমচন্দ্ৰ, মাইকেল, রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ প্রভৃতিরও ভক্তের অভাব ছিল না। নানাবিধ সাপ্তাহিক, দৈনিক ও মাসিক পত্রের যথেষ্ট পাঠকও আমাদের মেসে ছিলেন। বি ‘ষ্টেটস ম্যান’ ’খানা ঘরে দিয়া গেল। চা’র পেয়ালা সরাইয়া রাখিয়া । কাগজ খুলিয়া ফেলিলাম। যুদ্ধের খবর আর ভাল লাগে না। তবু একবার তারের সংবাদগুলিতে চোখ বুলাইয়া গেলাম। সহসা বড় বড় । অক্ষরে লিখিত ভীষণ বন্যা শীর্ষক সংবাদে দৃষ্টি আকৃষ্ট হইল। দামোদরের | স্বাধ ভাঙ্গিয়া বৰ্দ্ধমান তারকেশ্বর প্রভৃতি স্থান জলমগ্ন হইয়া গিয়াছে। শত সহস্ৰ ব্যক্তি গৃহহীন ; অনাহারে শত শত ব্যক্তি বৃক্ষশাখায়-- CBBD DDBD DiBDDBD DDBBBB DDB DBDBDS BDB BDB DBD ۔ ن', '