পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ).pdf/১০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ክሙ8 আৰ্য্যবৰ্ত্ত । ७ वर्ष-२श ज९६Tों । হইতে হিংসা নল দূরীভূত করিয়া পদদলিত শক্রকে স্বহস্তে উত্তোলিত করিয়া তাহার সহিত পুনরায় সখ্যস্থাপন করে, তাহা হইলেই যে প্রকৃত জয়ী। কারণ, আত্মজয়ীই যথার্থ জয়ী। ইন্দ্ৰিয়ের বশীভূত ব্যক্তি অপেক্ষা ইন্দ্ৰিয়বিজয়ীই প্ৰকৃত বীর । যিনি মোহের বশীভুত নহেন, জীবন-সংগ্রামে তাহার কখনই পতন নাই। সিংহ, বীরবিক্রমে এই সত্য প্রচার কর, এই মন্ত্রে দীক্ষিত হইয়া জীবন-সংগ্রামে প্রবৃত্ত হও, ইহাতে তথ্যাগতের আশীবৰ্ব্বাদ লাভ কৱিবে ।” সিংহ আনন্দে রোমাঞ্চিত কলেবর হইয়া কহিতে লাগিলেন, “দেব, আপনিই প্রকৃত মহৎ । আপনিই সত্য পথ আবিষ্কার করিতে সমর্থ হইয়াছেন। আপনিই যথাৰ্থ বুদ্ধ ও তথাগত । আপনিই একমাত্ৰ লোক গুরু ও শিক্ষাদাতা। আপনিই নরনারীর জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত করেন । আমি আপনার শরণ লইলাম। আপনি অনুগ্রহ করিয়া আমাকে শিষ্যত্বে গ্ৰহণ করিয়া সঙ্ঘে যোগদান করিতে অনুমতি করুন।” তথাগত কহিলেন, “সিংহ, তুমি যে কাৰ্য্য করিতে উদ্যত হইয়াছ, তাহা তুমি প্ৰথমে বিশেষরূপ বিবেচনা করিয়া দেখ। কারণ, পূৰ্ব্বাপর বিশেষরূপে বিবেচনা না করিয়া তোমার ন্যায় কৃতবিদ্য ব্যক্তির কোন কৰ্ম্মে হস্তক্ষেপ করা উচিত নহে ।” এই কথা শুনিয়া ভগবানের প্রতি সিংহের ভক্তি এবং বিশ্বাস আরও দৃঢ় হইল। তিনি বলিলেন, “দেব যদি অন্য কোন ব্যক্তি আমাকে অদ্য শিয়রূপে লাভ করিতে পারিতেন, তাহা হইলে তিনি নিঃসন্দেহ দেশমধ্যে রাষ্ট করিয়া দিতেন যে, সেনাপতি সিংহ আমার শিষ্যত্ব গ্রহণ করিয়াছে। কিন্তু আমি দেখিতেছি, আপনি শিষ্যত্বে যোগদান করিতে আমাকে প্রতিবন্ধকতা প্ৰদান করিতেছেন। এক্ষণে आमि আর এক মুহূৰ্ত্ত বিলম্ব করিতে পারিতেছি না। আপনি দয়াপরবশ হইয়া অনতিবিলম্বে আমাকে শিষ্যত্বে ’ গ্ৰহণ করিয়া চরিতার্থ করুন।” , তথাগত বলিলেন, “বহু কালাবধি তোমার গৃহে নিগ্ৰস্থসেবা হইয়া থাকে । অতএব ভবিষ্যতেও যখন নিগ্রন্থগণ তোমার গৃহে ভিক্ষার্থ আগমন করিবেন, তখন তাহাদিগকে যথোচিত ভিক্ষাদান করিয়া পরিতুষ্ট করিবে ।” সিংহের অন্তঃকরণ ইহাতে আনন্দে পূর্ণ হইল। তিনি বলিলেন, “দেব, আমি গুনিয়াছি, শ্রমণ গৌতম না কি বলিয়া থাকেন, কেবলমাত্র আমাকেই