পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (তৃতীয় বর্ষ).pdf/৩০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্রাবণ, ১৩১৯ ৷৷ অদৃষ্ট-চক্ৰ । Տ ԳS an পুত্রকন্যাদিগকেও সে বিষয়ে সুশিক্ষা দিয়াছিলেন। দ্বিতীয়তঃ পল্লীগ্রামের অশ্বযান পল্পীপথে যেরূপে যাতায়াত করে তাহাতে সঙ্গে রমণী, রোগী, শিশু বা দ্রব্যবাহুল্য না থাকিলে সুস্থাকায় পল্লীবাসীরা সহজে গাড়ীতে আইসে না । বর্ষায় পথে গুরুভার যানের চারি চক্র কর্দমমুক্ত করা যেরূপ আয়াসসাধ্য মানুষের দুইখানি পদ কর্দমমুক্ত করা সেরূপ আয়াসীসাধ্য নহে-বষ ব্যতীত অন্য ঋতুতে যানসঞ্চালনোখিত পরাগপ্রাচুর্য্যে যুবকের কৃষ্ণ কেশ শ্বেতবর্ণ ধারণ করে, নিশ্বাসরোধ হইবার উপক্রম হয়। এ অবস্থায় যানে গমনাগমন সুখদা নহে । কিন্তু আজ বিশেষ প্রয়োজনে বামাচরণ গাড়ী ভাড়া করিয়া আসিয়াছিল । সে নামিয়াই পিতাকে বলিল, “ব্রজেন্দ্রের বড় অসুখ ।” ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় জিজ্ঞাসা করিলেন, “কি অসুখ ?” “বিসূচিকা ।” ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয়ের চক্ষুর সন্মুখে যেন দিবালোক নিবিয়া গেল। তিনি কিছুক্ষণ কোন কথা কহিতে পারিলেন না ; তাহার পর জিজ্ঞাসা করিলেন, “कथम श्रुँश{tछ ?" বামাচরণ বলিল, “অদ্য প্ৰত্যুষে।” যানচালক যাইবার জন্য ব্যস্ত হইতেছিল। সে বামাচরণকে বলিল, “বাবু আমার ভাড়া দিয়া দিউন। ট্ৰেণের সময় হইল ; আমি আবার ষ্ট্রেশনে शाश्य।” दांभां5द्र१ रुब्लिन, “यांशि७ च्यांत्रांद्र cढेल८ब याझें ।" শুনিয়া ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় বলিলেন, “টেপ কথন যাইবে ?” বামাচরণ বলিল, “অৰ্দ্ধঘণ্টার মধ্যেই একটা টেণ আছে।” “চল, আমি যাইব ।” ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় ভূত্যকে ডাকিয়া একটি পিরাণ ও একখানি উত্তরীয় আনিতে আদেশ করিলেন এবং ব্ৰজেন্দ্রর চিকিৎসাদির কিরূপ ব্যবস্থা হইয়াছে জিজ্ঞাসা করিলেন । al বামাচরণ বলিল, প্ৰত্যুষে ব্রজেন্দ্রের পীড়ার বিকাশ হয়। প্ৰভাতে সংবাদ পাইয়া সে তথায় গিয়াছিল। পিসীমা, রাধাচরণ ও দেবীচরণ তিনজনই তথায় গিয়াছেন। হোমিওপ্যাথিক মতে চিকিৎসা হইতেছে। ডাক্তাররা বলিতেছেন, রোগ অত্যন্ত প্ৰবল ।