পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/১০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


tury, YØYA || . সোণাবিবি। " ኴ§ श्रेभ। थांव भूङ्गाद्र श्रद्ध cनiभlदिवि निश्ड बांकाडांद्र अश्व করিয়া রাজকাৰ্য্য পরিচালনা করিয়াছিলেন। এই সময় সোণাবিবি যে অপূর্ব বীরত্ব ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়াছিলেন তাহ অন্যাপি শতমুখে পরিকীৰ্ত্তিত হইয়া আসিতেছে। বাঙ্গালীর ইতিহাসে এইরূপ রাজনীতি-কুশলতা, স্বাধীন ভাবে রাজ্য-পরিচালনার ক্ষমতা সোণাবিবি ব্যতীত অন্য কোনও রমণী প্ৰকাশ করিয়াছেন বলিয়া আমরা জানি না। কথিত আছে যে, ত্রিপুরার রাজা ও কেদার রায় সসৈন্যে সোণারাগায় উপস্থিত হইলেই কেদার রায় তঁহাকে আত্ম-সমৰ্পণ করিবার জন্য অনুরোধ করিয়া দূত প্রেরণ করেন। তদুত্তরে সোণাবিবি বলিয়াছিলেন, “আমার শরীরে এক বিন্দু শোণিত থাকিতে বিনাযুদ্ধে আমার স্বামীর পরিত্যক্ত একখণ্ড সামান্য ভূমিও কাহারও হন্তে সমপর্ণ করিব না।” বীরাঙ্গনার এই অপূর্ব বীরবাণীতে কেদার রায় বিস্মিত হইয়াছিলেন। এ কি তঁহাদের স্নেহপালিতা আদরিণী সেই স্বর্ণময়ী ! এক দিকে একজন বিধবা রমণী-অন্য দিকে ত্ৰিপুৱারাজ, মগগণ ও কেদার রায়ত্ৰিশক্তির সম্মিলিত আক্রমণ ! উভয় পক্ষে বহুদিন পৰ্য্যন্ত যুদ্ধ চলিল। সোণাবিবি স্বয়ং সৈনিকগণকে পরিাচালিত করিয়া যুদ্ধ করিতে লাগিলেন। কিন্তু হায় ! এক রমণীর পক্ষে এইরূপ শক্তিশালী শক্ৰগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়া জয়লাভ করা অসম্ভব। অবশেষে যখন তিনি দেখিতে পাইলেন যে, কোনরূপেই আর রক্ষা নাই-তখন তিনি স্বামীর প্রিয়তম দুর্গ শক্রিহস্তে সমৰ্পিত হওয়া অপেক্ষা ধ্বংস হওয়াই সঙ্গীতবোধে-সৈন্যগণকে শীতললক্ষ্যানদীতীরবত্তী সাধের সোণাকুণ্ডা দুর্গে অগ্নি সংযোগ করিতে আদেশ করিলেন,-রাণীর আদেশে উহাতে অগ্নি সংযুক্ত হইল, দেখিতে দেখিতে বহির বিকট গ্রাসে ঈশা খাঁর দুর্গ ভস্মস্তপে পরিণত হইতে চলিল-আর সেই প্ৰবল অগ্নিরাশিতে প্রকৃত বীরাঙ্গনার ন্যায় সোণাবিবি পতিপদ চিন্তা করিতে করিতে আত্মবিসর্জন করিলেন। বঙ্গ-রমণীর এরূপ অপূর্ব বীরত্ব-কাহিনী কয়জন । বাঙ্গালী অবগত আছেন জানি না-কিন্তু যদি কেহ কোন দিন নারায়ণগজের নিকটবৰ্ত্তী সোণাকুণ্ড নামক স্থানে বেড়াইতে যায়েন, তাহা হইলে অজ্ঞ কৃষকদিগের মুখে সোণাবিবির এই বীরত্ব-কাহিনী শুনিতে পাইবেন। তাহারা অস্থাপি সেই দুর্গের শেষ চিহ্ন একটি মৃত্তিকাস্তুপ দেখাইয়া বলে—“ঐ দেখুন, সোণাৰিবির শ্ৰীযোগেন্দ্ৰনাথ গুপ্ত। - কেল্লা a'. F. B Bradley Birt ef Romance of an Eastern Capital RjIT ማረፂ። gaggio N