পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/১৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জ্যৈষ্ঠ, ১৩১৭৷৷ શ્રેજીનિતિ S8S დteყfრf& | খণ্ডগিরির সহিত আমার প্রথম পরিচয় বঙ্কিমচন্দ্রের রচনায় । ‘সীতারামে।” খণ্ডগিরির সেই বৰ্ণনা আমার তরুণ হৃদয়ে অতীত-গৌরব-স্মৃতি-সমুজ্জ্বল একখানি মনোরম চিত্র অঙ্কিত করিয়াছিল । তখন যাহা স্বপ্ন ছিল এতদিনে তাহা বাস্তবে পরিণত হইল। পাচ মাইল পথ গোযানে অতিক্ৰম করিয়া দিব্যাবসানের কিছু পুর্বে খণ্ডগিরিতে আরোহণ করিলাম। ত্ৰয়োবিংশ শতাব্দী পূর্বে মানুষ কি প্ৰবল ধৰ্ম্মবিশ্বাসের উত্তেজনায় পাষাণ কাটিয়া গুহা গঠিত করিয়াছিল ! তাহারা কি আসাধারণ উৎসাহে ও উদ্যমে আরব্ধ। কাৰ্য্য সম্পন্ন করিয়াছিল। ! কি অস্ত্ৰে-কি কলাকৌশলে তাহারা পাষাণবক্ষে আপনাদের মনোভাব স্থায়িরাপে অঙ্কিত করিয়াছিল ৷ প্ৰস্তরগঠিত সোপনের ভগ্নাবশেষের উপর দিয়া উঠিবার সময় এই সকল কথাই মনে হইতেছিল। আর মনে হইতেছিল, হয়ত এমনই এক দিনান্তে কলিঙ্গাধিপতি-প্রবলপরাক্রম খারবেল কোন মুণ্ডিতশীর্ষ বৌদ্ধ ভিক্ষুর নিকট অবনতমস্তকে মানবজীবনের নশ্বরত্ব স্বীকার করিয়া নির্বাণলাভকামনায় এই গুহ্যমন্দিরের প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন। কে সেই বৌদ্ধ ভিক্ষু যিনি ধৰ্ম্মের প্রভাবে স্পৰ্দ্ধিতরাজগর্ব বিনয়াবনত করিয়াছিলেন ? ত্ৰয়োবিংশ শতাব্দী পূর্বে তিনি নিৰ্বাণ লাভ করিয়াছেন ; তিনি আজ বিস্মৃত । হস্তীগুম্ফার পাষাণপৃষ্ঠে ক্ষোদিত-বিস্মৃতির অন্ধকারে সমাচ্ছন্নপ্ৰায় যুগের লিপির দুই চারিটি অক্ষর যদি লিখিত না থাকিত বা কালবশে মুছিয়া যাইত তাহা হইলে নৃপতি খারবেলের নামও কেহ জানিতে পারিত না । ত্ৰয়োবিংশশতাব্দীপূৰ্ববৰ্ত্তাদিগের কীৰ্ত্তির সহিত আজ আমার পরিচয় ! আমার মনে হইতে লাগিল, যেন আমি আর কৰ্ম্মকোলাহলময় বিংশ শতাব্দীর মানব নাহি ; আমি ত্ৰয়োবিংশ শতাব্দীপূৰ্ববৰ্ত্তাদিগের সহিত নিভৃতে অনন্ত সমাধির আয়োজন করিতেছি। গুহা হইতে গুহান্তরে চলিলাম ; স্তম্ভ, দ্বার, কারুকাৰ্য্য, মুক্তি-সব দেখিতে লাগিলাম। কিন্তু দেখিয়া মনে যে ভাবের উদয় হইল, তাহা প্ৰকাশের ভাষা নাই। খণ্ডগিরি ক্ষুদ্র পর্বত। ইহার সানু দেশ হইতে চুড়া ১২৩ ফিট মাত্র উচ্চ। পৰ্ব্বতের এক অংশের নাম-খণ্ডগিরি। এই অংশে কয়টি প্রাচীন গুহা বিদ্যমান। সাধারণতঃ সমগ্ৰ গিরিমালাকেই খণ্ডগিরি বলা হয় । কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন অংশের DD D DBD S BDBBBDLSS BDBDDODD BDSLSiDD si DtBBBB উৎকীর্ণ লিপিবহুল বহু গুহা আবিষ্কৃত হইয়াছে। দক্ষিণাংশের নাম-ধবলগিরি