পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/১৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


)পাষণের কথা । SS ו ו"לסל שואtiא তৎসমুদায় প্ৰস্তুত হইয়াছে ; কেবল যথাস্থানে বিন্যস্ত হইলেই হয়। দুরে রক্তবর্ণ প্রস্তরনিৰ্ম্মিত অৰ্দ্ধবৃত্তাকার স্তপ প্ৰায় সম্পূর্ণ হইয়া আসিয়াছে। আচ্ছাদনখণ্ডসমূহের মার্জন মাত্র অবশিষ্ট আছে। নগর হইতে প্ৰতিদিন দলে দলে নাগরিক ও নাগরিকগণ যবনাশিল্পিগণের তক্ষনচাতুৰ্য্য দেখিতে আসিত। পরিষদ চতুস্পাঠি ত্যাগ করিয়া ছাত্ৰগণ, আয়তন হইতে শিশুগণ সুৰ্য্যোদয় হইতে সূৰ্য্যান্ত পৰ্যন্ত সেই পর্ণকুটীরের অভ্যন্তরে বসিয়া থাকিত। সন্ধ্যাসমাগমে বিলাসিগণ রথারোহণে, হীনবিত্ত নাগরিকগণ পদব্রজে, দলে দলে, নব ক্ষোদিত চিত্রাবলী দেখিতে আসিতেন। তঁহাদিগের সহিত মিশ্র ভাষায় শিল্পিগণের কথোপকথন হইত, তাহা হইতে যাহা জানিতে পারিয়াছি তাহাই বলিয়া যাইতেছি ;- নাগরিকগণ বলিতেন যে, পারসীক-সমাগমের পূর্বে এতদ্দেশে মন্দির বা স্তপ নিৰ্ম্মাণের প্রথা বা আবশ্যকতা ছিল না, কারণ ভারতীয় প্রথা অনুসারে দেবাচৰ্চনার জন্য মন্দির বা স্তুপের প্রয়োজন হইত না। ব্ৰাহ্মণগণ পৰ্ব্বতে, বনে বা নদীতীর্থে যাজন করিতেন, উন্মুক্ত আকাশই তাহাদিগের মন্দির ছিল। যখন কপূিল হইতে বাহালীক ও উদ্যান পৰ্যন্ত সমগ্ৰ ভূমি পারসীক জাতির পদানত হইয়াছিল তখন তাহাদিগেরই চেষ্টায় এতদ্দেশে দেবায়তন-নিৰ্ম্মাণ আৱব্ধ হয়। তখন হইতে মূলস্থানপুরে মিত্র দেবের মন্দির, বরুণ পৰ্ব্বতে চন্দ্রের মন্দির প্রভৃতি নিৰ্ম্মিত হইতে লাগিল। অবশ্য ইহার বহু পূর্ব হইতেই এতদ্দেশে তক্ষনশিল্প বহুলভাবে প্রচলিত ছিল, তবে ভাস্করগণ আপনাদের শিল্পচাতুৰ্য্য প্রাচীর, স্তম্ভ, দুৰ্গ, প্ৰাকার প্রভৃতির শোভা-সংবৰ্দ্ধানে নিযুক্ত করিতেন। অদ্যাপি সেই প্ৰাচীন ভারতীয় ভাস্কৰ্য্যপ্ৰথা স্তুপ ও মন্দিরবেষ্টনে শোভনকালে ব্যবহৃত হইয়া থাকে। পারসীকেরা বভেরু বা বাবিরস ও নীনা দেশীয় শিল্প। এতদ্দেশে আনয়ন করেন। কিন্তু ভারতীয় ভাস্কারগণ কখনই অবিমিশ্রভাবে বিদেশীয় ভাস্কৰ্য্য অবলম্বন করেন। নাই। যখনই ভারতবাসীকে বিদেশীয় জাতির নিকট নতশির হইতে হইয়াছে তখনই বিদেশীয়গণ বর্বর হইলে পদানত জাতির অধীনতা স্বীকার করিয়াছে, কিন্তু সভ্য ও শিক্ষিত হইলে উভয় জাতির মধ্যে শিক্ষার আদান প্ৰদান চলিয়াছে। যবনগণ ইহার উত্তরে কহিতেন যে, তাহারা পূৰ্বপুরুষগণের নিকটে শুনিয়াছেন যে, আদিম যবনদেশে ভাস্কর শিল্পের এতদূর উৎকর্ষ সাধিত হইয়াছে যে, তাহারা পাষাণে মনুষ্যকৃতি যথাযথ ক্ষোদিত করিতে পারেন। এই শিল্প তাহারা মির্জাইম দেশ হইতে প্ৰাপ্ত হইয়াছেন। ইহার পুর্বে কোন জাতি এতদূর দক্ষতার সািহত পাষাণে জীবিত মনুষ্যের রূপাকৃতি গঠনে সমর্থ হয়েন নাই। মিজাইম V