পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/২৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


së vërtré i si vë-ofertit. BB DuuS DBB BDDD DBD S S BDDB DDB BDB DD উৎপন্ন হয়। টণ্ডাল এই মত প্ৰকাশ করেন যে, দুই তিনবার সিদ্ধ করিলে কোন ক্ৰষ্যে আর কীটপু৷ জন্মিতে পারে না। কারণ, প্ৰথম বার সিদ্ধ করিলেও ষে সকল বীজ সজীব থাকে-সেই সকল বীজ হইতে উৎপন্ন কাটাপু দ্বিতীয় বার সিদ্ধ করিলে विनडे श। ষাৎকালে এই সকল আলোচনা চলিতেছিল, সেই সময় আর কয়জন বৈজ্ঞানিক সংক্ৰামক ব্যাধির সহিত কীটপুর সম্বন্ধ নির্ণয়ে প্ৰবৃত্ত ছিলেন। Yvo খৃষ্টাব্দে লাটাের ও সান আবিষ্কার করেন যে, yeast plant পচনশীলদ্রব্যসভূত। পচনক্রিয়ার সহিত ব্যাধির ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ পূর্বেও বৈজ্ঞানিকগণের অগোচর ছিল না। এক্ষণে কীটপুই পচনের কারণ প্ৰতিপন্ন হইলে অনেকেই মনে করিলেন, কীটাঙ্গু হইতেই ব্যাধির উৎপত্তি। ১৮৩৮ খৃষ্টাব্দে বোয়েম এই মত প্রচার করেন যে, য়ুরোপে বিস্তুচিকা কাঁটাগুৱ দ্বারা উৎপাদিত। ইহার এক বৎসর পূৰ্ব্বে ব্যাসী গুটীপোকার সংক্ৰামক ব্যাধির কীটাৰু, আবিষ্কৃত করিয়া এ বিষয়ে uDBDDDB SS DBDD DBDBD DD DBDDB BDBDS DBB BBBDBD দেহ হইতে কীটপু সুস্থ পোকার দেহে প্ৰবেশ করিয়া বীজদ্বারা বহু কীটপু উৎপন্ন করিয়া পোকার প্রাণনাশ করে । এই আবিষ্কারে কীটপুর সহিত সংক্রামক ব্যাধির ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ প্ৰতিপন্ন হয়। হিউল এই সকল পরীক্ষা করিয়া ১৮৪০ খিষ্টাব্দে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েন যে, কীটাগু হইতেই সংক্ৰামক ব্যাধির উৎপত্তি হয়। কিন্তু তিনি বসন্ত ও স্কাবুলেট অৱ প্ৰভৃতির কাঁটাগু দেখিতে পায়েন না। ব্যাসীর আবিষ্কার ও হিউলের মত বৈজ্ঞানিকদিগকে নূতন উৎসাহে উৎসাহিত করে, এবং সেই উৎসাহের ফলে বহু নূতন তত্ত্ব আবিষ্কৃত হয়। এই সময় বহুবিধ সংক্ৰামক চৰ্ম্মরোগের কীটাণু ও কীটাগুৰীজ আবিষ্কৃত হয় ; এবং অনেকে বিস্তুচিকার কারণ নির্ণয়ে বদ্ধপরিকর LBBDDS DDSDBD D DBD BBDBDKKz DBDB BDB DuSBBBD পাইয়াছিলেন । ডারউইনও অন্ত্রস্থ খাদ্যদ্রব্যে ক্ষুদ্রতম কীটপু ( monad ) দেখিয়াছিলেন। কিন্তু এই সময় বিসূচিকা যুরোপ হইতে প্ৰায় অন্তৰ্হিত হওয়াতে এ বিষয়ে আর পরীক্ষা হয় নাই-কাষেই এই কীটাগুর সহিত ব্যাধির সম্বন্ধও ौिंउ इन्न मारे । লাটোরের ও সানের কাৰ্য্য পৰ্য্যবেক্ষণ করিয়া ১৮৫৭ খষ্টাব্দে পান্তর প্রতিপন্ন করেন যে, ল্যাকটিক, অ্যাসোটক ও বুটিক পচনক্রিয়া কীটপূৰ্ব্ব কাৰ্য্য। ইহার পূর্বে