পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৩৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


\OS) \Rig আৰ্য্যাবৰ্ত্ত । - যাহা বিপুল রাহুর ন্যায় কৃষ্ণকবলে শস্যশ্যামল পৃথিবীকে ত্রিপাদ গ্ৰাস করিয়া পাদমাত্র অবশিষ্ট রাখিয়াও শান্তি লাভ করে নাই, তাহাকে শরীরের অতি DD KB DBDBD BDDD LDB uBDD DBDSS EDB B sB KJ BBB আসিয়া আমাকে ব্যতিব্যস্ত করিয়া তুলিত, তখন আমি দক্ষিণমেরু পৰ্যন্ত বিশ্ৰান্ত এক সচেতন, প্ৰবুদ্ধ সত্তার স্পর্শ অনুভব করিতাম । যে দিন সমুদ্রমান করিতে না পাইতাম, সেদিন যেন আমার আর স্ফৰ্ত্তি বোধ হইত না। সূৰ্য্যকান্ত বাবু যখন শুনিলেন যে, আমি একজন নিত্যস্নায়ী, তখন তিনিও নিত্য আসিতে লাগিলেন। তঁহার সঙ্গে ননী ও র্তাহার মাতা আসিতেন। শেষে সব দিন হয়ত সুৰ্য্যকান্ত বাবুর এবং তঁহার স্ত্রীর আসা ঘটিয়া উঠিত না ; কেবল ননী আমার ভগিনীর সঙ্গে স্নানার্থ আসিতেন। আমিও তাহার আগমন প্ৰতীক্ষা করিতাম । সকালে বৈকালে এইরূপ প্ৰতীক্ষা করিয়া করিয়া প্ৰতীক্ষা করাটাই আমার অভ্যন্ত হইয়া গিয়াছিল। কিন্তু একদিন বুঝিতে পারিলাম যে, এ প্রতীক্ষা অভ্যাসের ফলমাত্র নহে-ইহার মধ্যে এমন একটা কিছু আছে, যাহা একবার ছাড়িয়া দিলে মুহূৰ্ত্তমধ্যে সমস্ত হৃদয় প্লাবিত করিয়া ফেলিবে। প্রথমে আমি .অর্গাপনীর কাছে ধরা দিতে চাহি নাই, নানারূপ কারণ খুজিয়া আমার এই ভিখারীপনা উড়াইয়া দিতে চেষ্টা করিলাম ; সাহিত্যামোদ, পুরীর নির্জনতা, উভয়ের মতের প্রতি পরস্পরের সহানুভূতি ইত্যাদির আশ্ৰয় লইয়া যথার্থ কারণটাকে চাপিয়া রাখিতে চেষ্টা করিলাম। কিন্তু একবার যখন ননী অসুস্থ হইয়া বাড়ীর বাহিরে আসিতে নিষিদ্ধ হইলেন, তখনই আমি বুঝিতে পারিলাম যে, আমার অজ্ঞাতসারে আমার হৃদয় আত্ম-সমৰ্পণ করিয়াছে। রমণীর রূপলাবণ্য আমার চিত্তে রেখাঙ্কিত করিতে পারিত না। আমি একটু আধটু সাহিত্যচর্চা করিলেও এ পৰ্যন্ত কখনও সৌন্দৰ্য্যচৰ্চা করি নাই। কাষেই প্ৰথম যখন আমি আপনার কাছে ধরা পড়িলাম, তখন মনে যে ভাব হইয়াছিল, তাহার সহিত আনন্দের সম্পর্কমাত্র ছিল না। আমি ভয়ে ও বিস্ময়ে অভিভূত হইলাম। কেমন করিয়া আমি আত্মবিক্রয় করিলাম, কোন মুহুর্তে বিশুদ্ধ কাব্যচর্চা প্রেমের পুর্বরাগে পরিণত হইল, কোন দুষ্ট দেবতা আমার এই দুৰ্বল হৃদয় লইয়া এমন তীব্র পরিহাস আরম্ভ করিলেন, তাহাঁই ভাবিতে ভাবিতে আমি অস্থির হইয়া উঠিলাম। কোথায় গেল আমার কাব্যকলা, কোথায় গেল আমার নূতন নূতন সৌন্দৰ্য্যস্থষ্টি । কোথায় একজন বিখ্যাত কবি হইবার আয়োজন করিব না,