পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৬০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫৭৮ আৰ্যাবৰ্ত্ত। ১ম বর্ষ-৯ম সংখ্যা। “তখনও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয় নাই, একটা Council of Education ছিল। সেই কাউন্সিলের অধীনতায় সংস্কৃত কলেজের একজন সেক্রেটারি ছিলেন,-ভঁাহার নাম, রসময় দত্ত। রসময় *It's Small Cause Court এর জজ ছিলেন ; তিনি প্ৰত্যহ বেলা ৩টার সময় কলেজে আসিতেন ও ঘণ্টাখানেক সব কাগজ-পত্র ও ক্লাসগুলি দেখিতেন। র্তাহার সহকারী সম্পাদক ছিলেন, বিদ্যাসাগর মহাশয় ; তিনি সমস্ত দিনই কলেজে থাকিতেন। সেক্রেটারি হিসাবে রসময় বাবুর মাসিক বেতন ছিল—এক শত টাকা ; বিদ্যাসাগর মহাশয় পাইতেন--পঞ্চাশ টাকা মাত্ৰ । “ইস্কুলে ভৰ্ত্তি হইয়াই আমার ‘মুগ্ধবোধ’ পড়া আরম্ভ হইল। প্রথম দুই বৎসর ৩/ প্ৰাণকৃষ্ণ বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কাছে অধ্যয়ন করিলাম। তিনি মেট্রোপলিটান কলেজের অধ্যাপক কালীকৃষ্ণ পণ্ডিতের পিতৃব্য । তৃতীয় বৎসর ৮/গোবিন্দ শিরোমণি মহাশয়ের ক্লাসে ও চতুৰ্থ বৎসর ৮দ্বারকানাথ S DDD DBDBBDB DBBB SBDB BDDDBDB DBBBDB DDBDDi মহাশয় ‘সোমপ্রকাশ” কাগজের সম্পাদক ছিলেন। এই ঢারি বৎসরে ‘মুগ্ধবোধ’ পড়া শেষ হইল। ইস্কুলে যাইবার সময় ও ইস্কুল হইতে আসিবার সময় পথে দাদার কাছে ব্যাকরণ আবৃত্তি করিতাম । “ইতোমধ্যে বিদ্যাসাগর মহাশয় চাকরী ত্যাগ করিলেন। রসময় বাবুর সঙ্গে তাহার কি একটা বিষয় লইয়া বাগড়ার মত একটা কিছু হইয়াছিল। অনেক দিন পরে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কাছে এই ব্যাপার সম্বন্ধে-একটা কথা শুনিয়াছিলাম ;-রসময় বাবু যখন শুনিলেন যে, তিনি চাকরী ত্যাগ করিয়াছেন, তখন না কি বলিয়াছিলেন,-“ঈশ্বর ত চাকরী ছেড়ে দিলে,- এখন খা’বে কি করে ?? কথাটা যখন বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কাণে পৌছিল, তখন তিনি বলিলেন- “বোলো, মুদির দোকান কোরে খাবে।” “সেই সময়ে ফোট উইলিয়ম কলেজের জন্য একজন পণ্ডিতের প্ৰয়োজন হওয়ায় বিদ্যাসাগর মহাশয় সেই চাকরী পাইলেন। মাসিক বেতন-আশী টাকা । এই সময়ে তিনি ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ বহিখানা লিখেন। এই বহি তাহার প্রথম রচনা। “কিছুদিনের মধ্যে বীটন সাহেবের (J. Drinkwater Bethune) সঙ্গে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের পরিচয় হইল। বীটন সাহেব তখন কাউন্সিল অত । এডুকেশনের প্রেসিডেন্ট । তিনি সংস্কৃত কলেজ পরিচালন্ডনের নূতন ব্যবস্থা