পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (প্রথম বর্ষ).pdf/৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৈশাখ, ১৩১৭। বঙ্গীয় নদনদীর জীবন সংগ্ৰাম । () মৃত্তিকান্তরের পৌৰ্ব্বাপৰ্য্য সম্বন্ধ দৃষ্টিগোচর করিয়া এবং তাহা কি DDLDD DDBBD BDD D DBD DBB DDD BBB DB DBB DDD অব্যাহত রাখিয়াছে তাহার পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করিয়া প্রাচীন তুষারাবরণের অনেকানেক নিদর্শন লাভ করা যায় । গঙ্গা ও তাহার উপনদী সমূহের তটভূমি এইভাবে পরীক্ষা করিয়া দেখা গিয়াছে যে, তাহার পার্শ্বস্থ উভয় দিকের মৃত্তিকা স্তরণের মধ্যে প্ৰাচীন পলীস্তর বিদ্যমান আছে। এমন কি এই পলীস্তর সচরাচর বন্যার সময় জল যত দূর পর্য্যন্ত উঠিতে পারে তাহার অপেক্ষা প্ৰায় একশত ফুট উচ্চে বিদ্যমান। ভূতত্ত্ববিদগণ বলিয়া থাকেন যে, তুষারাবরণ যুগ অপেক্ষাকৃত আধুনিক কালের। কাযেই যখন সেই তুষারাশি হইতে বারিরাশি পৰ্ব্বত, উপত্যক ও নদী-বক্ষ দিয়া প্ৰবাহিত হয় তখন বরফের চাপে অনেকানেক পর্বতগাত্ৰ বিভগ্ন হইয়া যায়, এবং সেই অপরিমেয় বারি প্রবাহ যে স্থান দিয়া প্রবাহিত হইয়া আসিয়াছিল সে স্থানের ভূমি বিধৌত হইয়া পলী মৃত্তিকারূপে প্রচুর পরিমাণে সেই জল মধ্যে ভাসিয়া আসিয়াছিল। পৰ্ব্বতোপত্যকায় ৱহৎ বৃহৎ প্রস্তরখণ্ড এখন সেই তুষারাবরণ কালের নিদর্শন স্বরূপ পড়িয়া আছে ; এ আর সাধারণ সমতল ভূমিতে, নদীর খাতে, তীর-ভূমির গাত্রে প্ৰাচীন পলী স্তরী- সেই একই সাক্ষ্য প্ৰদান করিতেছে। যাহাকে অধুনা পূৰ্ব্ববঙ্গের মধুপুর জঙ্গল বলে—যাহার উচ্চতা এখন বৃদ্ধি পাইয়া সাধারণ বন্যার জলসীমা ছাড়াইয়া গিয়াছে—সেই মধুপুর জঙ্গল এইরূপে তুষার-বিগলিত-জলরাশি-বাহিত পলী মৃত্তিকায় গঠিত বলিয়া মনে হয়। পরে বৎসর বৎসর বর্ষার জলাগমে নূতন পলী পড়িয়া তাহা বৰ্ত্তমান আকার ধারণ করিয়াছে। সামান্য চর ক্রমশঃ বিস্তৃত ভূমিখণ্ডে পরিণত হইলে নদীর গতিও যে বাধা পাইবে তাহাতে আর আশ্চর্য্যের বিষয় কি আছে ? এইরূপে নদীর গতি প্ৰতিহত হইয়া নদীপ্রবাহ অন্য দিকে ধাবমান হইলে তাহাতে নদীতীরস্থ স্থানসমূহের অনেক প্রকার ক্ষতি হয়। আজ যদি ভাগীরথী ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়, তাহা হইলে কলিকাতা নগরীর বিচিত্র সৌন্দৰ্য্য, বিপুল বাণিজ্য এ সব কোথায় যাইবে ? ব্ৰহ্মপুত্র নদ পূৰ্ব্বে ঢাকা নগরীর পূর্বদিকে প্রবাহিত ছিল এখন তাহার প্রবাহ কত দূরে গিয়া পড়িয়াছে ! পরিবর্তন বিস্ময়কর। প্রায় পঞ্চাশ বৎসর পূৰ্ব্বে মিষ্টার ফাগুসন মধুপুর জঙ্গলস্থ ভূখণ্ড কিরূপে