পাতা:আশুতোষ স্মৃতিকথা -দীনেশচন্দ্র সেন.pdf/২২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ ১৯ ] , পণ্ডিত্য ও সাধনার গৌরব তা হাতে আরও বদ্ধিত হইয়াছে। র্তাহার শেষ । বয়সে রচিত এই “বৃহৎ বঙ্গ”ও আত্ম-বিস্মৃত বাঙ্গালী জাতিকে তাহার লুপ্ত প্ৰায় । ঐশ্বৰ্য্যের সন্ধান দিবে, জাতি-হিসাবে তাহাকে আত্মপ্রতিষ্ঠ হইতে সহায়তা | করবে। " এই বার-শতাধিক পৃষ্ঠায় দুইখণ্ডে সম্পূর্ণ বিরাট গ্রন্থের পরিচয় এই ক্ষুদ্র প্রবন্ধে দেওয়া সম্ভবপর নহে। ইহাতে প্রাগৈতিহাসিক যুগ হইতে আরম্ভ । করিয়া পলাশীর যুদ্ধের সময় পৰ্য্যন্ত বাঙ্গলা ও বাঙ্গালী জাতির ইতিহাস । লিপিবদ্ধ হইয়াছে, ইহাতে কেবলমাত্র রাজ-রাজড়াদের কাহিনী, অথবা যুদ্ধের ; সাল-তারিখ লইয়া আলোচনা হয় নাই। সুপ্রাচীন কাল হইতে বাঙ্গালী জাতির কীৰ্ত্তি-কলাপ ইহাতে আলোচিত হইয়াছে । তাহার ক্ষত্ৰিবীৰ্য্য ধৰ্ম্ম, সমাজ, সাহিত্য, দর্শন, শিল্পকলা, ভাস্কৰ্য্য, বা বসা-বানিজা, রাষ্ট্র কি ভাবে গড়িয়া উঠিয়াছে, কিরূপে যুগে যুগে তাহার পরিবর্তন হইয়াছে, আৰ্য্য-সংস্কৃতি ও বৌদ্ধ-সংস্কৃতি কিভাবে বাঙ্গলার উপর প্রভাব বিস্তার করিয়াছে, বাঙ্গালী সেই সমস্ত প্ৰভাবের মধ্য হইতে কি ভাবে নিজস্ব সভ্যতা ও সংস্কৃতি সৃষ্টি করিয়াছে এবং সমগ্ৰ ভারতে তাহা বিস্তুত করিয়া দিয়াছে, এই গ্রন্থে তাহার পরিচয় আছে। “এই পুস্তকে মগধের সঙ্গে-তথা সমস্ত আৰ্যাবৰ্ত্তের সঙ্গে বাঙ্গলার ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ প্ৰতিপন্ন করিবার চেষ্টা হইয়াছে । আৰ্য্যাবৰ্ত্তে বিশেষ কারিয়া মগধে যে সকল রীতি-নীতি প্ৰচলিত ছিল, এখন পৰ্যন্ত বাঙ্গলায় তাঙ্গার অনেকগুলি চলিয়া আসিতেছে। আৰ্যসভাত ও দেশীয় আচার ও *ীতির ধারাবাহিকত্ব বাঙ্গালীরা যে পরিমাণে রক্ষা করিয়াছেন, তাহ অন্যত্র 阪奈 5 " দীনেশবাবু আৰ্য-সভ্যতার তথা বঙ্গীয় সভ্যতার এই ধারার সন্ধান তাঁহার গ্রন্থের মধ্যে দিয়াছেন। অনেক আধুনিক শিক্ষিত বাঙ্গালীর বিশ্বাস, বাঙ্গালীর বিশেষ কোন প্রাচীন ইতিহাস নাই, মহাপ্ৰভু শ্ৰীচৈতন্তের পূৰ্ব্বে সর্বভারতে তাহার কোন স্থান বা প্ৰতিষ্ঠা ছিল না। এই ধারণা যে কতদূর ভ্রান্ত, তাই "স্বহ । * পড়িলেই প্রতিপন্ন হইবে ; ষোড়শ শতাব্দী মহাপ্রভুর যুগ, বাঙ্গলার * "সাস" বা পুনরভু্যদয়ের যুগ সন্দেহ নাই। কিন্তু তাহার বহু শতাব্দী ***ইতে গুপ্ত, পাল ও সেন-যুগে বাঙ্গালী রাষ্ট্রে, সমাজে, সাহিত্যে, দর্শনে,