পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/১০২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


i سواه: তাহা ভাল লাগিল না ;–বলপূৰ্ব্বক ইন্দ্র চন্দ্রের হস্ত ছাড়াইয়৷ নিজ গৃহাভিমুখে চলিল । ইন্দ্রচন্দ্র ও পশ্চাৎ গামী হইলেন । সরস্বতী আপনার গুহে প্রবেশ করিল ; ইন্দ্রচন্দ্ৰও সঙ্গে সঙ্গে প্রবেশ করিয়া পুনরায় সরস্বতীর হস্ত ধরিলেন ; বলিলেন, "রাগ হয়েচে ?” সরস্বতীর মুখে কথা নাই ; অবনত মুখে দাড়াইয়া বাম পদের বুদ্ধাঙ্গুলীর দ্বারা মৃত্তিক খনন করিতে লাগিল । ইন্দ্রচন্দ্র দক্ষিণ হস্তে সরস্বতীর দক্ষিণ হস্ত ধরিয়া নিজ বাম বাহু দ্বারা গলদেশ বেষ্টন করিয়া সরস্বতীর অবনত মুখ উত্তোলন করিলেন । দেখিলেন, সরস্বতীর চক্ষু জলে পূর্ণ,-ওষ্ঠাধর কম্পিত হইতেছে । সেই ফুল্লেদিবর সদৃশ নয়নযুগল জলে পূর্ণ। বিস্বোক্ট কম্পিত হইতেছে দেখিয়া ইন্দ্র চন্দ্র কি করিবে, কি বলিবে কিছুই স্থির করিতে ন পারিয়া যে খান হইতে জল গড়াইয়। পড়িব পড়িব করিতেছিল, উদভ্ৰান্তভাবে সেই স্থানে চুম্বন কারলেন । এতক্ষণ সরস্বতীর চক্ষের জল চক্ষে আট কাইয়! ছিল, কিন্তু আর কোনরূপে থাকিল না, একটার পর একটা করিয়া মুক্তাফল ঝরিতে লাগিল ।

    • ভালবাসা’ অন্যের নিকটে কএকটা অক্ষরের সমষ্টি মাত্র হইতে পারে, কিন্তু প্রেমিক প্রেমিকার डाइ नष्इ ; তঁtহীদের নিকট ইহা এক বৃহৎ অধ্যায় । প্রেমের এক “বিন্দু’ অশ্রুজল অন্যের নিকট এক বিন্দু বটে, কিন্তু প্রেমিক প্রেমিকার নিকট এক মহাসমুদ্র বিশেষ । ইহার একটা “স্পর্শ’ অন্যের নিকট স্পশ ৰলিয়া পরিগণিত হইতে পারে, কিন্তু প্রেমিকের নিকট তাহা বিদ্যুৎস্পর্শ ; সেই বিদ্যুৎস্পশে অন্যের কিছু হউক বা না হউক, প্রেমিক প্রেমিকার প্রাণের উম্মাদ জাল। নিবারণ করে ।