পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/১১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>> a ड्रेऊन्नन्छ । শুনতে চাই সে বেটী দূর হয়েচে।” বলিয়া চট্টোপাধ্যায় মহাশয় অন্দরে প্রবেশ করিলেন । **** বাটীর ভিতর প্রবেশ করিব মাত্র প্রথমেই কনিষ্ঠ গৃহিণীর সঙ্গে চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের সাক্ষাৎ হইল । গৃহিণী ও সাক্ষাৎ করিবার জন্ত অপেক্ষা করিতে ছিলেন সুতরাং সাক্ষাৎ হইব। মাত্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয় কোন কথা বলিতে না বলিতে গৃহিণী বলিলেন “তুমি ইন্দ্রচন্দকে আর কিছু বলোনা, বাছা আমার পায়ে হাত দিয়ে দিবির করেচে যে, সে বেটীর নাম আর মুখে আনবে না ।” # চট্টোপাধ্যায় মহাশয় ইন্দ্র চন্দ্রকে কিছু বলিবার জন্যই এই অসময়ে বাটীর ভিতর যাইতে ছিলেন কিন্তু প্রথমেই গৃহিণীর মুখ তাড়। খাইলেন বলিয়। আর যাওয়া হইল ন৷ “রাম রাম” শব্দে পুনরায় বাহিরে মাসিলেন । নিমেষ মধ্যে গ্রামে হৈ হৈ শব্দ পড়িয়া গেল । রথ দোল হইলে যত ভিড় না হয় রাজকুমারের বাটীর ভিতর তাহ অপেক্ষ শতগুণে অধিক ভিড় । নানাতর লোকে নানাভর কথা কছিতেছে । কেহ বলিতেছে “বেটীর মাথ। মুড়িয়ে গায়ের বার করে দিতে চটুেৰ্য্যে মহাশয় হুকুম দিয়েচেন” কেহ বলিতেছে “শুধুমাথা মুড়ান, ঘোল ঢেলে কুলে৷ ৰাজিয়ে গায়ের বার কর ” কেহ সহানুভূতি করিয়া বলিতেছেন “আহ। সরস্বতী আগে তো তুই এমন ছিলি না, তবে তোর এমন মতিগতি হলো কেন ?” আবার কেহব। হিতোপদেশ দিতেছেন ‘সরস্বতী তুই গলtয় দড়ি দিয়ে মর।” সরস্বতী কিন্তু কোন কথারই উত্তর দিতেছে না, নিজ গৃহে অর্গল বন্ধ করিয়া বসিয়া আছে । ছায়াময়ীর উখান শক্তি রহিত ; সে পড়িয়া পড়িয়া মাথা