পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মান হইয় পড়িয়া জাছেন। বোধ হয় চক্ষের জল ফেলিয়া থাকিবেন, নচেৎ অমল ধবল ফরাসের উপর দাগ কিসের ? : সদরে একটা গোল উঠিল, “আমি একথা কৰ্ত্তাকে জানাবই জানাবে, তার বিচারে যা হয় তাই হবে ।" । - প্রত্যুত্তর হইল, “ওরে তুই এখন যা, কৰ্ত্ত উঠলে আমিই বলবো ; এখন আর গোল করিস না ।” . . “ন, তা হবেন । গরীব ব’লে কি তার বিচার নাই ।” অফিঙ থোরের সজাগনিদ্রা-গোলযোগ চট্টোপাধ্যায়. মহাশয়ের কর্ণে গেল। ডাকিলেন, “ওরে হরে” হরিচরণ ওরফে হরে নিচু হইতে উত্তর দিল, “আজ্ঞে যাই।” । যথাকলে হরিচরণ, চট্টোপাধ্যায় মহাশয়কে দর্শন দিলেন । চট্টোপাধ্যায় মহাশয় জিজ্ঞাসা করিলেন, “কিসের গোল রে হুরে ?” - হরিচরণ মাথা চুলকাইতে চুলকাইতে একবার ঢোক গিলিয়া উত্তর দিল, “আজ্ঞে ও কিছুই নয়, থোকাবাবু সেধো গোয়ালার গাছথেকে ছুটে আম পেড়েচে তাই ও বেটা গোল কর্চে ; বলে কৰ্ত্তাকে জানাবো ।” - “সেধো গোয়ালার গাছথেকে দুটাে আম পেড়েচে বলে সে এত গোল কচ্চে বলে বোধ হয় না। আচ্ছ তুই তাকে মামার কাছে ডেকে নিয়ে আয়, আর একছিলিম তামাক সেজে निनि वांनि ।।' বিমৰ্ষ হইয়া হরিচরণ কলিকা লইয়া প্রস্থান করিল। সেধে। গোয়ালাকে ডাকিয়া কি বলিল কিন্তু সেধে সে কথায় সম্মত হইল না। অগত্য হরিচরণ তামাকু সাজিয়া আপনিই টানিতে আরম্ভ করিল। যখন দেখিল তামাক প্রায় শেষ হইয়াছে, তখন