পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/১২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিংশ পরিচ্ছেদ । ১২৩ ৷ “হাবাতের ঘরের মেয়ে এনে মামার সোণার সংসার জলে পুড়ে গেল।” মোকদ্দমার ব্যয় বাদে এক পাই অংশের অবশিষ্ট যাহা ছিল তাহাই লইয়। ইন্দ্রচন্দ্র মালাহিদা বাটতে বাস করিতেছেন । পূর্বের রাবণের পুরীর দ্যায় সে সংসার অtৱ নাই । লীলাবতী, মহামায়া আর সেই পুরাতন ভূত্য হরে থানসামাকে লইয়। ইন্দ্রচন্দ্র এখন নুতন সংসার পাভিয়াছেন কিন্তু আপনি পাড়িত—এমন পীড়িত যে উত্থান শক্তি রহিত । গ্রাম্য কবিরাজ দিনাস্তে একবার করিয়া দেখিয়া যান ; রোগ উপশম ন হইয়। বরং উত্তরোত্তর বুদ্ধি হইতেছে । অন্য দিন অপেক্ষ অদ্য ইন্দ্রচন্দ্রের জরের বেগ কিছু বুদ্ধি রাখিয়াছে । গাত্রের দাহে ইন্দ্রচন্দ্র বিছানার এধার ওধার করিতেছেন—অার এক একবার মা মা বলিয়। চীৎকার করিতেছেন । লীলাবতী শিহরে বসিয়া মাথায় হস্ত বুলাইতেছেন আর ইন্দ চন্দ্রের মুখের কাছে মুখ নত করিয়া “কেন বাব। অমন কচ্চ কেন ?” বলিতেছেন । ইন্দ্রচন্দ্রের অবস্থা দেখিয়া লীলাবতীর মনে ভয় সঞ্চার হইল ; হরি থানসামাকে বলিলেন “একবার কবিরাজ মহাশয়কে ডেকে আন” হরি কৃবিরাজ ডাকিতে গেল । সন্ধা হয় হয় এমন সময়ে হরিচরণ সঙ্গে কবিরাজ মহাশয় উপস্থিত হইলেন। লীলাবতী ঠাকুরাণী গৃহের বাহিরে গিয়া দাড়াইলেন, কবিরাজ মহাশয় ইন্দ্র চন্দ্রের শয্যার উপরে বসিলেন । ইন্দ্রচন্দ্ৰ ছট্ ফট্‌ করিতেছেন, মাথা চালিতেছেন, দুই একটা ভুল বকিতেছেন কবিরাজ মহাশয় তাহ অনেকক্ষণ পর্য্যন্ত স্থির দৃষ্টিতে দেখিলেন । শেষ একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ভ্যাগ করিয়া বলিলেন “দেখি হাতটা দেখি ” হরিচরণ আস্তে আস্তে ইন্দ্রচন্দ্রর