পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৯৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুর্দশ পরিচ্ছেদ । 33 য়াছে, তিনি তৈলদ্বারা তাহ উঠাইবার চেষ্টা করিতেছেন ; কোন অশিক্ষিতার অসাবধানে অঙ্গুলী কাটিয়া গিয়াছে,—তিনি মুখ বিকৃত করিয়া জলে হাত ডুবাইয়া বসিয়া আছেন । রন্ধন শালায় শ্ৰীকৃষ্ণের মোহন চুড়ার অনুকরণে আদ্র চুলে কুটি বাধিয়া কেহ অন্ন স্বসিদ্ধ হইল কি না টিপিয়া পরীক্ষা করিতেছেন ; কেহ বা ঠন্‌ ঠন শব্দে দাইলের হাড়িতে হাত দিতেছেন । কোন যুবতী তপ্ত তৈলে মৎস্য দিয়া আড়ষ্ট ভাবে বসিয়া আছেন । জলপড়িয়া রন্ধনশালের সম্মুখভাগ দ্বৈপায়ণ হ্রদ হইয়া উঠিয়াছে ; বলাইয়র পিসি লবণ হস্তে আসিতে আসিতে সেই খানে ধপাস করিয়া পড়িয়া গেলেন । “মাহা বড় লেগেচে” বলিয়। চারি দিক হইতে একটা সহানুভূতি স্থচক শব্দ উঠিল । কোথাও ছেলে কঁাদিতেছে “টে ’ কোথাও শব্দ উঠিতেছে “খাবার দেন। মা” ; কোন যুৱতী কোন বিশেষ কারণে নিজ সন্তানের পৃষ্ঠে ধপধপ চাপড় বসাইয়া দিতেছেন, কেহ বা “আহ মারিসনে মারিস্নে” বলিয়া নিবারণ করিতেছেন । বালিকা, যুবতী, বয়সী, 'অৰ্দ্ধ বয়সী প্রৌঢ় প্রভৃতি সকল রকম স্ত্রীলোকের রংবেরংয়ের কথায় বার্তায় চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের অন্দর মহল একেবারে সুতাহাটা হইয়া উঠিয়াছে ; কিছুরই অপ্রতুল নাই,-অপ্রতুল কেবল একালের জ্যাকেট পর বাধীন হুক বিশেষ স্ত্রীলোক । বরের গায়ের হলুদ কনের বাড়ি না পৌঁছিলে কনের গারে । হলুদ হইবে না ; নাপিত এখন আইসে নাই, কৰ্ত্ত মহারাগাম্বিন্ত হইয়া বসিয়া আছেন । হরে খানসাম! তাহার অনুসন্ধানে গিয়াছে ; ইতি মধ্যে পরামাণিক কলাবাগান নিঝাড় কৃরিয়া একবোঝা তে উড় স্কন্ধে উপস্থিত । প্রথম নম্বরে কৰ্ত্তার, তৎপরে