পাতা:ইন্দ্রচন্দ্র.pdf/৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুর্দশ পরিচ্ছেদ । ৯৩ যাত্রের পশ্চাতে পশ্চাতে চলিলেন। চত্রশিখর চট্টোপাধ্যায় মহাশয় পাড়াগেয়ে জমিদার ; সুতরাং তাহার পুত্রের বিবাহ পাড়ীগেয়ে রকমেই সমাধা করিলেন ; সুসভ্য নগরী কলিকাতার ন্যায় ভাড়া করা ফিটন গাড়ি এবং তদপেক্ষ। অধিক ময়ুর পঞ্জীর উপর কোমর বুরান নৃত্য প্রভৃতি কিছুরই আয়োজন করেন নাই । গ্রাম প্রদক্ষিণ করিয়া যথাকলে বর কন্যার বাটতে পৌঁছিল। বর পোছিবামাত্র অন্দর হইতে গগন বিদীর্ণ করিয়া ভলুধ্বনি উঠিল, পালকী হইতে বর যথাস্থানে উপবেশন করিলেন । কন্যাকৰ্ত্তা বরযাত্রদিগকে সাদর সম্ভাষণ করিয়া যথাযোগ্য স্থানে উপবেশন করাইলেন । ‘ওরে তামক দেরে” শব্দে কাণ ঝালাপালা হইয়া উঠিল। বরের সমবয়স্ক বালকের বরকে লেখাপড়ার কথা জিজ্ঞাসা করিতে লাগিল । ভট্টাচার্ষ্য ব্রাহ্মণ মহাশয়ের সামুকের ভিতর হইতে নস্য লইতেছেন, আর “কট কট সর নর দম ব্যা” র সমাস কারক লইয়া পৰ্বস্পরে ঘোরতর বাক্বিতণ্ডা করিতেছেন । কন্যা সম্প্রদায়ের সময় হইয়া আসিল, কন্যাকৰ্ত্ত কন্যা পাত্রস্থ করিবার অনুমতি লইয়া বরকে বাটীর ভিতর লইয়া চলিলেন,—বরযাত্রেরা ও বরের সঙ্গে সঙ্গে চলিলেন , যেন এই সঙ্গে তাহাদেরও বিবাহ হইবে । কন্যাপক্ষীয়ের বরষারেদিগকে বাটীর ভিতর প্রবেশ করিতে দিবে না বলিয়া ঘোরতর আপত্তি উত্থাপন করিলেন ; শেষে মীমাংসা হইল যে, দুই চারি জন বরের সঙ্গে যাউক । স্ত্রী আচারের পর শুভদৃষ্টির সময় আসিল । “ভাল মন্দ লোক থাক তো সরে যাও, আমার হাতের মত হাত হবে,