পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/১১১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হোসেনসাহ । SOY হওয়ায় মজফঃর সাহ প্ৰজাবৰ্গকে উৎপীড়ন করিয়া অর্থ সংগ্রহে প্ৰবৃত্ত হইলে প্ৰজাপুঞ্জ ও রাজ্যের সকল লোকে তাহার প্রতি যারপরনাই অসন্তুষ্ট হইয়া উঠে ; এমন কি অনেকে রাজধানী পরিত্যাগ করিয়া চলিয়াও যায় । সৈয়দ হোসেন ও মজফঃর সাহের প্রতি বিরক্ত হইয়া তাহার বিপক্ষগণের সহিত যোগDB BDBBBD SDBBBDS DBDBDBDDB BBD DuuDS S DBKYDBBD DDDLDB হাব্বশী, বাঙ্গালী ও আফগানী সৈন্য লইয়া গৌড় দুর্গ গাড়বন্দী করিয়া অবস্থিতি করেন । হোসেন সাহ ও তাহার পক্ষীয় লোকদিগের সহিত তাহার চারি মাস যুদ্ধ চলিতে থাকে। পরে মজফ':র সাহ দুর্গ হইতে নিম্ৰান্ত হইয়া, আমীর গণের সহিত যুদ্ধে প্ৰবৃত্ত হন, হোসেন ঠাহীদের নেতা হইলেন। এই যুদ্ধে বিজয়লক্ষ্মী হোসেনের মস্তকে আশীৰ্ব্বাদ নিক্ষেপ করেন। মজফঃর সাহ স্বীয় পক্ষীয় অসংখ্য লোকের সহিত রণক্ষেত্ৰে প্ৰাণ বিসৰ্জন দেন । * অবশেষে হোসেন সাহই সিংহাসনে উপবিষ্ট হন । এই সময় হইতে তিনি সুলতান আলাউদ্দীন উপাধি গ্ৰহণ করেন । তদবধি তিনি ইতিহাসে সুলতান আলউদ্দীন হোসেনসাহ শেরিফি মক্কী বলিয়া অভিহিত হইয়া আসিতেছেন। সিংহাসনে আরোহণ করিয়া হোসেন সাহ দেখিলেন যে, তখনও পৰ্য্যন্ত সৈন্যেরা গৌড় নগর লুণ্ঠন করিতেছে। তিনি তাহাদিগকে লুণ্ঠন হইতে প্ৰতিনিবৃত্ত হইতে আদেশ দিলেন। কিন্তু তাহারা তাহার আদেশ অমান্য করায় তিনি প্ৰায় দশসহস্ৰ লুণ্ঠনকারীর প্রাণদণ্ড করিয়া গৌড়ে শান্তি স্থাপন করেন। হোসেন সাহ বাদসাহ হইয়া গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর গুপ্ত ধনের অধিকারে সচেষ্ট হন । তিনি বহু ধনরত্ন ও ত্রয়োদশ শত স্বৰ্ণপাত্র হস্তগত করিয়াছিলেন । পুরাকাল হইতে গৌড় ও বঙ্গের ধনশালী ব্যক্তিগণ ভোজনকালে স্বৰ্ণপাত্রের ব্যবহার করিতেন। নিমন্ত্রণ ও ক্রিয়াকাণ্ড উপলক্ষে যিনি যে S SLBLBS DD BB BD KZBLS S BDBBK LSLBLLLLSS SDD GBL BY ‘অসন্তুষ্ট হওয়ায় সৈয়দ হোসেন গৃহরক্ষক সেনাদলের অধিনায়ককে হস্তগত করিয়া একদিন রাজিতে তের জন সৈনিককে সঙ্গে লইয়া রাজান্তঃপুরে প্রবেশ করিয়া মজকঃর সাহকে হত্যা করেন ।