পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/১৯৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छिड़ा ब्रांख्यश्e । Sኳ”እ করেন। দাতিয়া, বাগমারা, খলিষাখালী, সেলিমাবাদ ও সাজিয়ালপুর প্রভৃতি পরগণায় কন্দৰ্প স্বীয় আধিপত্য বিস্তার করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন । রাজা কন্দৰ্পের অধিকৃত পরগণা গুলি সৈন্দপুর পরগণার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত । Aাজা কন্দৰ্পের পুত্রের নাম মনোহর রায়। ১৬৪৯ খৃষ্টাব্দে পিতার মৃত্যুর পর মনোহর রাজত্ব প্ৰাপ্ত হইয়াছিলেন । প্ৰকৃত প্ৰস্তাবে মনোহরই চাচড়া রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। চাঁচড়া রাজগণের মধ্যে ইনিই সৰ্ব্বাপেক্ষা প্ৰতিভাসম্পন্ন কৌশলী ও ক্ষমতাশালী ছিলেন। মনোহরের সময়ই চাচড়া রাজ্য উন্নতির উচ্চতম সোপানে আরোহণ করে । সম্পত্তির অধিকারী হইয়াই মনোহর নিজ জমিদারীর কাের কড়ায় গণ্ডায়হিসাব করিয়া নির্দিষ্ট দিনে রাজকোষে প্রেরণ করিতে লাগিলেন । ইহাতে অল্পদিন মধ্যেই রাজা মনোহর তদানীন্তন বাঙ্গলার নবাব সুলতান সুজার বিশেষ বিশ্বাসী ও পিয়পাত্ৰ হইয়া উঠেন। সুলতানের অনুগ্ৰহে মনোহর নিকটবৰ্ত্তী জমিদারগণের উপরও অনেকটা কর্তৃত্ব করিবার অধিকার পাইয়াছিলেন । এই সমস্ত জমিদারগণকে রাজা মনোহরের হস্ত দিয়াই বাৎসরিক কর দাখিল করিতে হইত। নিজেদের স্বাধীনভাবে নবাব সরকারে টাকা পাঠাইবার অধিকার ছিল না । জমিদারগণ যথাসময়ে রাজকীয় প্রদানে অসমর্থ হইলে যে কেহ সেই বাকী কর দাখিল করিতে পারিতেন ; রাজপ্ৰতিনিধিগণ র্তাহার সহিতই বাকী-পড়া মহাল বা সম্পত্তি বন্দোবন্ত করিতেন। এই ভাবে বাকী কর দাখিল করিয়া রাজা মনোহর নিম্নলিখিত পরগণাসমূহ প্ৰাপ্ত হইয়াছিলেন। ১। রামচন্দ্রপুর ১৬৮২ খৃষ্টাব্দে, ২। হোসেনপুর ১৬৮৯ খৃঃ, ৩। বাংদিয়া ও বহিমাবাদ ১৬৯১ খৃঃ, ৪ । চেঙ্গুটিয়া ১৬৯০ খৃঃ, ৫ । ইযফপুর ১৬৯৬ খৃঃ, ৬ । মলই, শোভনালি ও শোভন ১৬৯৯ খৃঃ, ৭ । মাহস ১৭০৩ খৃষ্টাব্দে এইগুলি ব্যতীত তালা, ফলুয়া, শ্ৰীপদ কবিরাজ, ভাতলা ও কলিকাতা প্ৰচতি আরও কয়েকটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরগণাও মনোহরের শাসনাধীনে আইসে। এত গুলি পরগণার মালিক হইয়াও মনোহরের রাজ্যবিস্তার আশা মিটাল না । সুযোগ পাইলেই তিনি পররাজ্যে হস্তক্ষেপ করিয়া নিজ রাজ্য বৃদ্ধি