পাতা:ঐতিহাসিক চিত্র (তৃতীয় বর্ষ) - নিখিলনাথ রায়.pdf/২২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোড়োয় প্রাচীন ধ্বংশাবশেষ TROO সাগর দীঘি । সাগর দীঘি একটা জলাশয়, দীর্থে এক মাইল এবং প্রস্থে অৰ্দ্ধমাইল ; ইহার জলস্থানের পরিমাণ-দীর্থে ১৬০০ গজ ও প্রস্থে ৮০০ গজ । ইহা উত্তর দক্ষিণে দীর্ঘ,-তাহাতেই ইহা হিন্দু-কীৰ্ত্তি রূপে প্ৰমাণিত হইতেছে। গৌড় ও তৎপার্শ্ববৰ্ত্তী স্থান সমূহের বৃহৎ জলাশয় গুলি যে হিন্দু কর্তৃক খনিত, এবশুপ্রকারে তাহার প্রমাণ প্ৰাপ্ত হওয়া যায় । সাগর দীঘির ছয়টিী অবতরণ সোপান ( ঘাট) আছে, তাহার প্রত্যেকটী ৬০ গজ প্রশস্ত। চারিটীি সোপান পুর্ব পশ্চিম তীরে মুখোমুখী ভাবে অবস্থিত, অপর দুইটী উত্তর দক্ষিণ তীরে । এই ঘাট গুলি কিন্তু এখন আর বিদ্যমান নাই, ভুগৰ্ত্তে বিলীন হইয়া গিয়াছে, কেবল স্তুপীকৃত ইষ্টক ও প্রস্তর রাশি একত্ৰ পড়িয়া থাকায় এবং তীর ভূমি হইতে জলের ধারা পৰ্য্যন্ত ক্রমশ নীচু হইয়া আসায়, ইহার পূর্ব পরিচয় Pf3JSF TSC এই বৃহৎ জলাশয়ট রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজত্ব কালে ৫২০ হিজরীতে ( ১১২৬ খৃষ্টাব্দ ) খিনিত হইতে আরম্ভ হয় বলিয়া জানা যায়। সাগর দীঘির পশ্চিম তীরের দৃশ্য অতি মনোজ্ঞ । জলাশয়ের খনিত মৃত্তিকারাশি তীরের উপর নিক্ষিপ্ত হয় ; তীরের সেই সু উচ্চ স্থান হইতে জলাশয়ের নিম্ন-ধারা পৰ্য্যন্ত সমস্ত স্থান এখন লতা গুল্ম ও জঙ্গলে পরিপূর্ণ হইয়া রহিয়াছে।

  • মুকদুম আখি শিরাজুদ্দীনের সমাধি । সাগর দীঘির উত্তর-পশ্চিম কোণে মুকদুম সাহ নামক এক মোসলমান সাধু ফকিরের সমাধি বিদ্যমান আছে; উহার নিকটস্থ হইতে হইলে, বঁাশবনের মধ্য দিয়া গমনাগমন করিতে হয় । এই সমাধি মন্দিরের দুইটী ক্ষুদ্র অথচ সুদৃশু খিলান,-দূর হইতেও দৃষ্টি গোচর হইয়া থাকে। মন্দিরের

বহিঃপ্রাচীরের উত্তর স্বারে একটী লিপি খোদিত আছে, তাহীর অর্থ “অপ্ৰসিদ্ধ সাধু মুকুন্ধম। সেখ আখি শিরাজ-উদ্দীনের সমাধির দ্বার, সৈয়দ