পাতা:করিম সেখ - জলধর সেন.pdf/৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করিম সেখ \ෆිද් তাহার কৃপাবলে, একটা কেন, দশটা করিমও তাহার কেশাগ্ৰ স্পর্শ করিতে পরিবে না। বসিরের স্ত্রী সেই অখিল-স্বামীর উপর নির্ভর করিয়া হৃদয়ে শান্তি লাভ করিল । তাহার পর প্রদীপ निदाश्म निग्रा cछनौटक बुटकब्र भरक्षा कब्रिया डूभिभशांब भवन করিল। সহসা পরলোকগত স্বামীর প্ৰেমপূৰ্ণ মুখখানি যেন । তাহার মানস নয়নে প্রতিভাত হইল। সে স্বামীর মুখখানি ভাবিতে ভাবিতে ঘুমাইয়া পড়িল । করিম বসিরের বাড়ী হইতে রাগ করিয়া বাহির হইয়া গেল। অনতিদূরেই একটী বটগাছ ছিল। করিম সেই শাখাবহুল বটবৃক্ষের তলায় গিয়া কিছুক্ষণ দাড়াইয়া কি ভাবিল , তাহার পর সেই বটগাছের তলায় শয়ন করিয়া কি ভাবিতে লাগিল। রাত্রি তখন ৯টা বাজিয়া গিয়াছে। এত রাত্ৰিতে গ্রামের লোকজন কেহই জাগিয়া নাই, সমগ্ৰ পল্লী সুপ্তিমগ্ন। পথে একটি লোকও চলিতেছে না। করিম সেই অন্ধকার রাত্ৰিতে সেই নির্জন গাছতলায় শয়ন করিয়া কত কি ভাবিতে লাগিল, তাহার ভাবনার 6शन अख् नाशे । অনেকক্ষণ এই ভাবে থাকিয়া করিম উঠিয়া বসিল। বসিয়া বসিয়াই আবার ভাবিতে লাগিল। তাহার পর ধীরে ধীরে উঠিয়া সে বাড়ীর দিকে চলিয়া গেল। করিম তখন চোরের মত পা টিপিয়া গৃহের দিকে অগ্রসর হইতেছিল। বাহিরের উঠানের পার্থেই তাহদের গোশালা। করিম অন্তঃপুরে না। গিয়া গোশালার দিকে গেল। অতি সন্তৰ্পণে গোেশালার চালে কি খুজিতে লাগিল। অন্ধকারে হাতড়াইয়া সে একখানি দা পাইল। অপরাত্নকালে সে ঐ দাখানি গোেশালার চালে রাখিয়া