পাতা:কাব্যগ্রন্থ (অষ্টম খণ্ড).pdf/১৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শারদোৎসব হল সে আমি বলতে পারিনে। সেই বীণার কাছে লুটিয়ে পড়ে বুক ফেটে আমার চোখের জল পড়তে লাগল। মনে হল আমার প্রভুর কাছে আমি অপরাধ করেছি। লক্ষেশ্বরের কাছে আমার প্রভু ঋণী হয়ে রইলেন আর আমি নিশ্চিন্ত হয়ে আছি ! ঠাকুর, এ ত আমার কোনোমতেই সহ্য হচ্চে না ! ইচ্ছা করচে আমার প্রভুর জন্যে আজ আমি অসাধ্য কিছু একটা করি ! আমি তোমাকে মিথা বলাচনে তার ঋণ শোধ করতে যদি আজ প্রাণ দিতে পারি তা হলে আমার খুব আনন্দ হবে,—মনে হবে আজকের এই সুন্দর শরতের দিন আমার পক্ষে সার্থক হল । সন্ন্যাসী বাবা, তুমি যা বলচ সত্যই বলচ । উপননদ ঠাকুর, তুমি ত অনেক দেশ ঘুরেচ আমার মত অকৰ্ম্মণ্যকেও হাজার কার্য পণ দিয়ে কিনতে পারেন এমন মহাত্মা কেউ আছেন ? তাহলেই ঋণটা শোধ হয়ে যায় । এ নগরে যদি চেষ্টা করি তাহলে বালক বলে ছোট জাত বলে সকলে আমাকে খুব কম দাম দেবে। সন্ন্যাসী না বাবা, তোমার মূল্য এখানে কেউ বুঝবে না। আমি ভাবচি কি যিনি তোমার প্রভুকে অত্যন্ত আদর করতেন সেই বিজয়াদিত্য বলে রাজাটার কাছে গেলে কেমন হয় ? > ને ૦