পাতা:কাব্যগ্রন্থ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রকাশ ভ্রমর কহিল যুর্থীর সভায়—যে ছিল বোবার মত পরের কুৎসা রটাবার বেলা তারো মুখ ফোটে কত । শুনিয়া তখনি করতালি দিয়ে হেসে উঠে নরনারী— যে যাহারে চায় ধরিয়া তাহয় দাড়াইল সারি সারি। “হয়েছে প্রমাণ, হয়েছে প্রমাণ’ হাসিয়া সবাই কহে— “যে কথা রটেছে, একটি বর্ণ বানানো কাহারো নহে ।” বাহুতে বাহুতে বাধিয়া কহিল নয়নে নয়নে চাহি’— “আকাশে পাতালে মরতে আজি ত গোপন কিছুই নাহি ।” কহিল হাসিয়া মালা হাতে ল’য়ে পাশাপাশি কাছাকাছি, “ত্রিভুবন যদি ধরা পড়ি গেল তুমি আমি কোথা আছি।” হায় কবি হায়, সে হ’তে প্রকৃতি হ’য়ে গেছে সাবধানী,— মাথাটি ঘেরিয়া বুকের উপরে আঁচল দিয়েছে টানি । যত ছলে আজ যত ঘুরে মরি জগতের পিছু পিছু কোনোদিন কোনো গোপন খবর নূতন মেলে না কিছু। শুধু গুঞ্জনে কুজনে গন্ধে সন্দেহ হয় মনে লুকানো কথার হাওয়া বহে যেন বন হ’তে উপবনে ; মনে হয় যেন আলোতে ছায়াতে রয়েছে কি ভাব ভরা,— হায় কবি হায়, হাতে হাতে আর কিছুই পড়ে না ধরা । ו 8 eס\כי ➢ ዓ ®