পাতা:কাব্যগ্রন্থ (নবম খণ্ড).pdf/৫৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ফাঙ্কনী আমার প্রজা ? বল কি কবি ? সংসারের প্রজা ওরা এ দুঃখ কি আমি স্থষ্টি করেচি ? তোমার কবিত্বমন্ত্রের বৈরাগীরা এ দুঃখের কি প্রতিকার করতে পারে বল ত ? মহারাজ, এ দুঃখকে ত আমরাই বহন করতে পারি ! আমরা যে নিজেকে ঢেলে দিয়ে ব’য়ে চলেচি। নদী কেমন করে ভার বহন করে দেখেচেন ত ? মাটির পাকা রাস্তাই হ’ল যাকে বলেন ধ্রুব, তাই ত ভারকে কেবলি সে ভারী করে তোলে ; বোঝা তা’র উপর দিয়ে আৰ্ত্তনাদ করতে করতে চলে, আর তা’রও বুক ক্ষত বিক্ষত হ’য়ে যায়। নদী আনন্দে ব’য়ে চলে, তাই ত সে আপনার ভার লাঘব করেচে বলেই বিশ্বের ভার লাঘব করে । আমরা ডাক দিয়েচি সকলের সব সুখ দুঃখকে চলার লীলায় ব’য়ে নিয়ে যাবার জন্তে । আমাদের বৈরাগীর ডাক । আমাদের বৈরাগীর সর্দার যিনি, তিনি এই সংসারের পথ দিয়ে নেচে চলেচেন —তাই ত বসে’ থাকতে পারিনে,— পথ দিয়ে কে যায় গো চলে’ ডাক দিয়ে সে যায় । আমার ঘরে থাকাই দায় । যাকগে শ্রুতিভূষণ । ওহে কবিশেখর, আমার কি মুস্কিল হয়েচে জান ? তোমার কথা আমি এক বিন্দুবিসর্গও ○ @。