পাতা:কাহিনী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/২২

এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
১৯
পতিতা


কাঁদিয়া কহিনু কাতরকণ্ঠে,
‘আমারে ক্ষমিয়াে পুণ্যরাশি!’
চপলভঙ্গে লুটায়ে রঙ্গে
পিশাচীরা পিছে উঠিল হাসি।
ফেলি দিল ফুল মাথায় আমার
তপােবনতরু করুণা মানি,
দূর হতে কানে বাজিতে লাগিল
বাঁশির মতন মধুর বাণী-
‘আনন্দময়ী মুরতি তােমার,
কোন্ দেব তুমি আনিলে দিবা!
অমৃতসরস তােমার পরশ,
তােমার নয়নে দিব্য বিভা।’
দেবতারে তুমি দেখেছ, তােমার
সরল নয়ন করে নি ভুল।
দাও মাের মাথে, নিয়ে যাই সাথে
তােমার হাতের পূজার ফুল।
তােমার পূজার গন্ধ আমার
মনােমন্দির ভরিয়া রবে-
সেথায় দুয়ার রুধিনু এবার
যতদিন বেঁচে রহিব ভবে।


মন্ত্রী, আবার সেই বাঁকা হাসি।
নাহয় দেবতা আমাতে নাই-