প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


yషిO গল্পগুচ্ছ লোকে তার খুব একটা চওড়া নাম দিয়েছিল— ‘দেশাত্মবোধ’। কিন্তু আর নয়। আৱেলদাঁত উঠেছে। এই জাগ্রত বধির দেশে এসে বাস্তবকে বাস্তব বলে জেনেই শুকনো চোখে কোমর বেধে কাজ করতে শিখেছি। এবার দেশে ফিরে গিয়ে বেরিয়ে পড়বে এই বিজ্ঞানী বাঙাল কোদাল নিয়ে কুড়ল নিয়ে, হাতুড়ি নিয়ে, দেশের গন্তেধনের তল্লাসে। মেয়েলি গলার মিহিসারের মহাকবি-বিশ্বকবিদের আশ্ররেন্ধেকণ্ঠ চেলারা এই অনুষ্ঠানকে তাদের দেশমাতৃকার পজা বলে চিনতেই পারবে না। ফোডের কারখানা ছেড়ে তার পর ন’ বছর কাটিয়েছি খনিবিদ্যা খনিজবিদ্যা শিখতে। য়রোপের নানা কমশালায় ফিরেছি, হাতে-কলমে কাজ করেছি, দই-একটা যন্ত্রকৌশল নিজেও বানিয়েছি, উৎসাহ পেয়েছি অধ্যাপকের কাছ থেকে, নিজের উপরে বিশ্বাস হয়েছে, ধিককার দিয়েছি ভূতপবে মন্ত্রমাগধ অকৃতাৰ্থ নিজেকে। আমার ছোটোগলেপর সঙ্গে এই-সব মোটা মোটা কথার বিশেষ যোগ নেই। বাদ দিলে চলত, হয়তো বা ভালোই হত। কেবল এই প্রসঙ্গে একটা কথা বলার দরকার ছিল, সেইটে বলি। যৌবনের গোড়ায় যখন নারীপ্রভাবের ম্যাগনেটিজম রঙিন রশ্মির আন্দোলন তোলে জীবনের আকাশে আকাশে, তখন আমি ছিলমে কোমর বোধে অন্যমনস্ক। আমি সন্ন্যাসী, আমি কমযোগী, এই-সমস্ত বাণীর কুলপ আমার মনে কষে তালা এটে রেখেছিল। কন্যাদায়িকেরা যখন আশেপাশে ঘোরাঘুরি করেছে তখন আমি স্পষ্ট করেই বলেছি, কন্যার কুটিতে যদি অকালবৈধব্যযোগ থাকে তবেই যেন তাঁরা আমার কথা চিন্তা করেন। পাশ্চাত্য মহাদেশে নারীসঙ্গলাভে বাধা দেবার কাঁটার বেড়া নেই। সেখানে দযোগের আশঙ্কা ছিল। আমি যে স্পরষে, বঙ্গনারীর মুখের ভাষায় তার কোনো ভাষ্য পাই নি। তাই এ সংবাদটা আমার চেতনার বাইরেই ছিল। বিলেতে গিয়ে প্রথম আবিকার করেছি যে সাধারণের চেয়ে আমার বৃদ্ধি বেশি, তেমনি ধরা পড়েছে আমার চেহারা ভালো। আমার দেশের অধ্যাশনশীণ পাঠকের মুখে জল আসবার মতো রসগভ কাহিনীর সচেনা সেখানে মাঝে মাঝে হয়েছিল। সেয়ানারা অবিশ্বাসে চোখ টেপাটোপ করতে পারেন, তব জোর করেই বলব সে কাহিনী মিলনান্ত বা বিয়োগান্তের যবনিকাপতনে পৌছয় নি কেবল আমার জেদ-বশত । আমার স্বভাবটা কড়া, পাথরে জমিতে জীবনের সংকল্প ছিল যক্ষের ধনের মতো পোঁতা, সেখানে চোরের সাবল ঠিকরে পড়ে ঠন করে ওঠে। তা ছাড়া আমি জাতপাড়াগোয়ে, সাবেককেলে ভদ্রঘরে আমার জন্ম, মেয়েদের সম্বন্ধে আমার সংকোচ ঘচতে চায় না। আমার জমান ডিগ্রি উঁচুদরের ছিল। সেটা এখানে সরকারী কাজে বাতিল। তাই সযোগ করে ছোটোনাগপরে চন্দ্রবংশীয় এক রাজার দরবারে কাজ নিয়েছি। সৌভাগ্যক্রমে তাঁর ছেলে দেবিকাপ্রসাদ কিছুদিন কেমরিজে পড়াশানো করেছিলেন। দৈবাৎ জরিকে তাঁর সঙ্গে আমার দেখা। তাঁকে বকিয়েছিলাম আমার পল্যান। শানে উৎসাহিত হয়ে তাঁদের স্টেটে আমাকে লাগিয়ে দিলেন জিয়লজিকাল সভের কাজে, DDDSDDDDDDD BBBBBS BB BB DDD DD DDD DDDDD D দেওয়াতে সেকেটেরিয়টের উপরুিস্তরে বায়ুমণ্ডল বিক্ষন্ধে হয়েছিল। দেবিকাপ্রসাদ শক্ত ধাতের লোক, বড়ো রাজার মন টলমল করা সত্ত্বেও টিকে গেলাম : '