প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


షిరిO গল্পগুচ্ছ সহ্য করা যায়, এমন-কি, এখনই যদি বঞ্জ পড়ে গদাধর তাহা মাথায় করিয়া লইতে প্রস্তুত আছেন। কিন্তু এই কথাটা অনেক ক্ষণ ভাবিয়া দেখিলেন যে, এখনই তাহাতে তিনি প্রস্তুত নহেন; বাঁচিয়া থাকিলে পথিবীর অনেক উপকার করিতে পারবেন। বাটিবঞ্জের সময় বক্ষতলে দাঁড়ানো ভালো নয় জানিয়া একটি ফাঁকা জায়গায় গিয়া বসিলেন, বান্টি বিগণে বেগে পড়িতে লাগিল। এদিকে মহেন্দু পা টিপিয়া টিপিয়া মোহিনীর ঘরের দিকে চলিল, যতই সাবধান হইয়া চলে ততই খস খস শব্দ হয়। ঘরের সম্মখে গিয়া আস্তে আস্তে দরজায় ধাক্কা মারিল, ভিতর হইতে দিদিমা বলিয়া উঠিলেন, “মোহিনী ! দেখ তো বিড়াল বুঝি !” দিদিমার গলা শনিয়া মহেন্দ্র তাড়াতাড়ি সরিবার চেষ্টা দেখিলেন। সরিতে গিয়া একরাশি হড়ি-কলসীর উপর গিয়া পড়িলেন। হাঁড়ির উপর কলসী পড়িল, কলসীর উপর হাঁড়ি পড়িল এবং কলসী হাঁড়ি উভয়ের উপর মহেন্দু পড়িল । হাঁড়িতে কলসীতে, থালায় ঘটিতে দারণে ঝন ঝন শব্দ বাধাইয়া দিল এবং কলসী হইতে ঘড় ঘড় শব্দে জল গড়াইতে লাগিল। বাড়ির ঘরে ঘরে কী হইল ‘কী হইল’ শব্দ উপস্থিত হইল। মা উঠিলেন, পিসি উঠিলেন, দিদি উঠিলেন, খোকা কাঁদিয়া উঠিল, দিদিমা বিছানায় পড়িয়া পড়িয়া উচ্চৈঃস্বরে পোড়ারমখা বিড়ালের মরণ প্রার্থনা করিতে লাগিলেন— মোহিনী প্রদীপ হতে বাহিরে আসিল। দেখিল মহেন্দ্র; তাড়াতাড়ি কাছে গিয়া কহিল, “পালাও ! পালাও !” মহেন্দু পলাইবার উদ্যোগ করিল ও মোহিনী তাড়াতাড়ি প্রদীপ নিভাইয়া ফেলিল। দিদিমা চক্ষে কম দেখিতেন বটে, কিন্তু কানে বড়ো ঠিক ছিলেন। মোহিনীর কথা শুনিতে পাইলেন, তাড়াতাড়ি ঘর হইতে বাহির হইয়া আসিয়া কহিলেন, “কাহাকে পলাইতে বলিতেছিস মোহিনী।” দিদিমা অন্ধকারে কিছুই দেখিতে পাইলেন না, কিন্তু পলায়নের ধাপ ধাপ শব্দ শুনিতে পাইলেন। দেখিতে দেখিতে বাড়িসন্ধ লোক জমা হইল। মহেন্দ্র তো অন্য পথ দিয়া পলায়ন করিল। এ দিকে গদাধর বাগানে বসিয়া ভিজিতেছেন, অনেক ক্ষণ বসিয়া বসিয়া একটা তন্দ্রা আসিতেই শুইয়া পড়িলেন। ঘমাইয়া ঘামাইয়া স্বপ্ন দেখিতে লাগিলেন যেন তিনি বস্তৃতা করিতেছেন, আর হাততালির ধবনিতে সভা প্রতিধৰনিত হইয়া উঠিতেছে, সভায় গবনর জেনেরাল উপস্থিত ছিলেন, তিনি বস্তৃতা-অন্তে পরম তুষ্ট হইয়া আপনি উঠিয়া শেকহ্যান্ড করিতে যাইতেছেন, এমন সময় তাঁহার পঠে দারণ এক লাঠির আঘাত লাগিল। ধড়ফড়িয়া উঠিলেন; একজন তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিল, “এখানে কী করিতেছিস । কে তুই।” গদাধর জড়িত স্বরে কহিলেন, “দেশ ও সমাজ –সংস্কারের জন্য প্রাণ দেওয়া সকল মনষ্যেরই কতব্য। ডাল ও ভাত সঞ্চয় করাই যাহাদের জীবনের উদ্দেশ্য, তাহারা গলায় দাঁড় দিয়া মরিলেও পৃথিবীর কোনো অনিষ্ট হয় না। দেশनश्रृंगप्नव्र घना ब्राौच नाडॆ, विा नारॆ, आश्नाव्र वाक् िनाडॆ, श्रीब्रह्म बाएि नां, जलि সময়ে সবাই কোনো বাধা মানিবে না, কোনো বিঘা মানিবে না—কেবল ঐ উদ্দেশ্যসাধনের জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করিৰে। যে না করে সে পশম, সে পশ, সে পশ !