প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করুণা à 496; পাইয়াছে, পাইয়া অবধি বড়োই অস্থির হইয়া পড়িয়াছে। ইহা সেই মোহিনীর চিঠি। চিঠির শেষ ভাগে লিখা আছে— ‘আপনি যদি রজনীকে নিতান্তই দেখিতে না পারেন, যদি রজনী এখানে আছে বলিয়া আপনি নিতান্তই আসিতে না চান তবে আপনার আশঙ্কা করিবার বিশেষ কোনো কারণ নাই, সে তাহার দিদির বাড়ি চলিয়া যাইবে । রজমী লিখিতে জানে না বলিয়া আমি তাহার হইয়া লিখিয়া দিলাম । সে লিখিতে জানিলেও হয়তো আপনাকে লিখিতে সাহস করিত না।’ ইহার মদন তিরস্কার মহেন্দ্রের মমের মধ্যে বিদ্ধ হইয়াছে। সে স্থির করিয়াছে, দেশে ফিরিয়া যাইবে । 恶 , -83. রজনীর শরীর দিনে দিনে ক্ষীণ হইয়া যাইতেছে। মুখ বিবণ ও বিষন্নতর হইতেছে। ५वर्गमनं मन्क्षाट्वजा न बिाश्निंौद्ा १ाजा क्षब्रिह्मा वजिज, “ििम, खाद्म उवाचि वञ्चािम्नि বচিব না।” মোহিনী কহিল, "সেকি রজনী, ও কথা বলিতে নাই।” ब्रख्झनौ वर्गलव्न, “झौं झिनि, आश्रि छानि, उप्रान्त्र उप्राधि एवस्ता लिन वाँझद ना । बीम এর মধ্যে তিনি না আসেন তবে তাঁকে এই টাকাগুলি দিয়ো। তিনি আমাকে মাসে জমাইয়া রাখিয়াছি।” মোহিনী অতিশয় নেহের সহিত রজনীর মুখ তাহার বকে টানিয়া লইয়া বলিল, “চুপ কর, ও-সব কথা বলিস নে।” মোহিনী অনেক কটে আশ্রসেস্বরণ করিয়া মনে-মনে কহিল, মা ভগবতি, আমি যদি এর দুঃখের কারণ হয়ে থাকি, তবে আমার তাতে কোনো দোষ নাই।’ হাত-অবসর পাইলেই রজনীর শাশুড়ি রজনীকে লইয়া পড়িতেন, নানা জন্তুর সহিত তাহার রাপের তুলনা করিতেন, আর বলিতেন যে বিবাহের সম্প্রবন্ধ হওয়া অবধিই তিনি জানিতেন যে এইরুপ একটা দীঘটনা হইবে—তবে জানিয়া শনিয়া কেন যে বিবাহ দিলেন সে কথা উত্থাপন করিতেন না। রজনী না থাকিলে মহেন্দুবিয়োগে তাঁহার মাতার অধিকতর কষ্ট হইত, তাহার আর সন্দেহ নাই। এই-বে মাঝে মাঝে মন খালিয়া তিরস্কার করিতে পান, ইহাতে তাঁহার মন অনেকটা ভালো আছে। মহেন্দ্রের মাতার স্বভাব যত দরে জানি তাহাতে তো এক-একবার তামার মনে হয়—এই-যে তিরস্কার করিবার তিনি সংযোগ পাইয়াছেন ইহাতে বোধ হয় মহেন্দ্রের বিয়োগও তিনি ভাগ্য বলিয়া মানেন। মহেন্দ্রের অবস্থান-কালে, রজনী যেদিন কোনো দোষ না করিত সেদিন মহেন্দ্রের মাতা মহা মশকিলে পড়িয়া যাইতেন। অবশেষে ভাবিয়া ভাবিয়া দুই বৎসরের পরানো কথা লইয়া তাহার মাখের কাছে হাত নাড়িয়া আসিতেন। কিন্তু এই ঘটনার পর তাঁহার তিরস্কারের সবাদাই মজত রহিয়াছে, অবসর পাইলেই হয়। । n ইতিমধ্যে মহেন্দ্রের মা মহেন্দুকে এক লোভনীর পর পাঠাইয়া দিয়াছেন। তাহাতে তাঁহার বাবাকে তিনি নিশ্চিন্ত হইতে কহিয়াছেন ও সংবাদ দিয়াছেন যে, তাঁহার अना धकप्लेि नदन्मघ्नौ रुमा अन्दनन्थान कब्रा शाईटउद्वह ।। ७थे किठिं नाएँझ धरश्रव्छब्र আপনার উপর দ্বিগুণ লজা উপস্থিত হইয়াছে—তৰে সকলেই মনে করিয়াছে