প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/১৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কর্ণা >心Q বর্ণনা করিল। কহিল— তাহাদের বাড়ির সামনেই একটি প্রাচীর-দেওয়া বাগান আছে, বাগানের মধ্যে একটি ক্ষুদ্র পকেরিণী আছে, পঙ্কেরিণীর উপরে একটি বাঁধানো শানের ঘাট। কহিল— তাহাদের বাড়িতে গেলে কর্ণা তাহার একটি দিদি পাইবে, তেমন স্নেহশালিনী—তেমন কোমলহৃদয়া— তেমন ক্ষমাশীলা (আরও অসংখ্য বিশেষণ প্রয়োগ করিয়াছিল) দিদি কেহই কখনও পায় নাই। কর্ণা আমনি তাড়াতাড়ি জিজ্ঞাসা করিল সেখানে কি ভবির দেখা পাইবে ! মহেন্দ্র ভবির সন্ধান করিবে বলিয়া স্বীকৃত হইলেন। জিজ্ঞাসা করিলেন কর্ণা তাঁহাকে ভ্রাতার মতো দেখিবে কি না, কর্ণার তাহাতে কোনো আপত্তি ছিল না। যাহা হউক, এত দিন পরে কর্ণার মুখ প্রফুল্ল দেখিলাম, এতদিন পরে সে তব আশ্রয় পাইল। কিন্তু বারবার কর্ণা মহেন্দুকে পণ্ডিতমহাশয়ের তাহার উপর রাগ করিবার কারণ জিজ্ঞাসা করিয়াছে । অবশেষে তাহারা যাইবার জন্য প্রস্তুত হইল। কাশী পরিত্যাগ করিয়া চলিল। কে কী বলিবে, কে কী করিবে, কখন কী হইবে—এই-সমস্ত ভাবিতে ভাবিতে ও যদি কেহ কিছল বলে তবে তাহার কী উত্তর দিবে, যদি কেহ কিছু করে তবে তাহার কী প্রতিবিধান করিবে, যদি কখনও কিছল হয় তবে সে অবস্থায় কিরাপ ব্যবহার করিবে—এই-সমস্ত ঠিক করিতে করিতে মহেন্দ্র গ্রামের রাস্তায় গিয়া পৌছিল। লড়জায় মিয়মাণ হইয়া, সংকোচে অভিভূত হইয়া, পথিকদিগের চক্ষন এড়াইয়া ও কোনোমতে পথ পার হইয়া গাহের বারে গিয়া উপস্থিত হইল । কতবার সাত-পাঁচ করিয়া পরে প্রবেশ করিল। দাদাবাবকে দেখিয়াই ঝি ঝাঁটা রাখিয়া ছটিয়া বড়োমা’কে খবর দিতে গেল। বড়োমা তখন রজনীর সমন্খে বসিয়া রজনীর রাপের ব্যাখ্যান করিতেছিলেন, এমন সময়ে খবর পাইলেন যে আর-একটি নতন বধ লইয়া তাঁহার বাবা' ঘরে আসিয়াছেন। মহেন্দ্রের ও কর্ণার সহিত সকলের সাক্ষাৎ হইল, যখন সকলে মিলিয়া উলম দিবার উদযোগ করিতেছেন এমন সময়ে মহেন্দু তাঁহাদিগকে করুণা-সংক্রান্ত সমস্ত ব্যাপার খলিয়া বলিল। সে-সমস্ত বাত্তান্ত মহেন্দ্রের মাতার বড়ো ভালো লাগে নাই। মহেন্দ্রের সমন্খে কিছু বলিলেন না, কিন্তু সেই রাত্ৰে মহেন্দ্রের পিতার সহিত তাঁহার ভারি একটা পরামর্শ হইয়া গিয়াছিল ও অবশেষে রজনী পোড়ারমখাঁই যে এই-সমস্ত বিপত্তির কারণ তাহা অবধারিত হইয়া গিয়াছিল। এই কথাটা লইয়া মহেন্দ্রের পিতার অতিরিক্ত আনা-দয়েকের তামাকু ব্যয় হইয়াছিল ও দুই-চারিজন বন্ধ বিজ্ঞ প্রতিবাসীদিগের মাথা ঘুরিয়া গিয়াছিল, কিন্তু আর অধিক কিছর मदधfप्लेना शम्न नाझे । রজনী তাহার দিদির বাড়ি যাইবার সমস্তই বন্দোবস্ত করিয়াছিল, তাঁহার শবশর শাশুড়িরা এই বন্দোবস্তে যথেষ্ট সাহায্য করিয়াছিলেন, কিন্তু রজনী বড়ো দবে’ল বলিয়া এখনও সমাধা হইয়া উঠে নাই। এই খবরটি আসিয়াই মহেন্দু তাঁহার মাতার নিকট হইতে শুনিতে পাইলেন। আশ্চর্যের স্বরে কহিলেন, “দিদির বাড়ি याश्ट्व, ऊाव्र अथ* कौ । उप्राभि आनिलाभ उप्राग्न अर्धान मिर्गमन्न बाज़ि याद्देरथ !" মহেন্দ্রের মাও অবাক, মহেন্দ্রের পিতা কিছুক্ষণ অবাক হইয়া চাহিয়া রহিলেন— পরে ঠাণ্ড হইতে চশমা বাহির করিয়া পরিলেন এবং মহেন্দুকে দেখিতে লাগিলেন—