পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় SQ సిపి বাসতবিক আগাগোড়াই কবি লিখিয়াছেন। আপনিও নাকি ঐ রকম গলপরচনার চেষ্টা वर्गग्नब्राझिालन ?’ J রবিবাব বলিলেন, “হা, আমি অনেকবার চেষ্টা করিয়া দেখিয়াছি, কিন্তু কখনোই মনের মতো হইল না। আমি আরম্ভ করিয়া দিতাম, কিন্তু বন্ধরো গল্পটিকে এমন করিয়া দাঁড় করাইতেন ষে আমার মনে হইত সমস্তটা মাটি হইয়া গেল । দাজিলিঙে একদিন কুচবিহারের মহারানী { সনীতি দেবী ] বলিলেন, ‘আসন, সকলে মিলিয়া একটা গল্প রচনা করা যাক, আগে আপনি আরম্ভ করন । আমি আমাদের বাঙালীসমাজ-ছাড়া একটা romantic গপের অবতারণা করিবার প্রয়াসে বলিলাম আচ্ছা বেশী; এই বলিয়া আরম্ভ করিয়া দিলাম— দাজিলিঙে ক্যালকাটা রোডের ধারে ঘন কুজবেটিকার মধ্যে বসিয়া একটি হিন্দুস্থানী রমণী কাঁদিতেছে।" এই বলিয়া আমি ছাড়িয়া দিলাম। কিন্তু দেখিলাম, গল্পটা অন্যের মুখে অগ্রসর হইতে চাহিল না; অগত্যা আমাকেই সমস্তটা রচনা করিয়া লইতে হইল। এই রকম করিয়া আমার দরাশা গল্পটি রচিত হইয়াছে। —বিপিনবিহারী গুপ্ত। রবীন্দ্রনাথ-প্রসঙ্গ। মানসী ও মমবাণী, ফাল্গন ১৩২৩ ছিন্নপত্র। মানসী, ফাল্গন ১৩১৯ কেশরলালের গল্পটা পেয়েছি মগজ থেকে। চতুরমখের মগজ আছে কি না জানি নে, কিন্তু তিনি কিছদ-না থেকে কিছুকে যে ভাবে গড়ে তোলেন এও তাই । অনেক কাল পাবে একবার যখন দাজিলিঙে গিয়েছিলাম, সেখানে ছিলেন কুচবিহারের মহারানী। তিনি আমাকে গল্প বলতে কেবলই জেদ করতেন। এই গল্পটা তাঁর সঙ্গে দাজিলিঙের রাস্তায় বেড়াতে বেড়াতে মুখে মুখে বলেছিলাম। মাস্টারমশায় গলেপর ভূমিকা অংশটা এবং মণিহারা গল্পটিও এমনি করে তাঁরই তাগিদে মুখে মুখে রচিত। ৭ আশ্বিন ১৩৩৮ – রবীন্দ্রনাথ। চিঠিপর ১ মণিহারা বাসিতেন। আমায় বলিতেন, আপনি নিশ্চয়ই ভূত দেখিয়াছেন, একটি ভূতের গল্প বলন। আমি যতই বলিতাম যে আমি ভূত দেখি নাই, তিনি ততই মাথা নাড়িতেন; বলিতেন, না, কখনোই না, নিশ্চয়ই আপনি ভূত দেখিয়াছেন। অগত্যা আমাকে একটি ভূতের গলেপর অবতারণা করিতে হইল। ভাঙা পোড়ো বাড়ি, কঙ্কালের খটখট শব্দ, এই-সমস্ত অবলম্বন করিয়া আমি মণিমালিকা’ । মণিহারা গল্পটি তাঁহাকে শনাইলাম। গল্পটি তাঁহার বড়ো ভালো লাগিয়াছিল। ৭ আগ্রহায়ণ ১৩১৮ S DDBBDDDD BBBS DDDBSBBS DDD C DDBBDS DBBBB BBBB জিন্নপর। মালসী, ফালনে ১৩১৯