প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SO శిశి গল্পগুচ্ছ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথের জন্য। রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গ উঠলেই ইনি ভণ্ডিতে ‘গৌর গৌর বলে মাথায় হাত ঠেকিয়ে প্রণাম করতেন আবার গনগনিয়ে গাইতেন—‘গৌরসন্দর মোর” । —শ্ৰীশচীন্দ্রনাথ অধিকারী। অজ্ঞাতবাসের সঙ্গী। রবীন্দ্রমানসের উৎসসন্ধানে বোটমী স্নান করে যখন সিক্ত বস্ত্রে চলে আসছে তার গরে বললে, তোমার দেহখানি সন্দের। সে সময়ে তার কন্ঠস্বরে ও মুখভাবে যে চাঞ্চল্য প্রকাশ পেয়েছিল সেটাতে বোটমীর নিজের মনের প্রচ্ছন্ন আবেগকে জাগিয়ে দিয়েছিল । তাই সে পালিয়ে গিয়ে আপনাকে বাঁচায়। আমার বিশ্বাস গল্পের মধ্যে এই ইঙ্গিতটি বুঝতে বাধা ঘটে না। ইংরেজি তজমায় কথাটা স্পষ্ট হয়েছে কিনা জানি নে। ১৩ মাঘ [ Sළු8ළු ] – রবীন্দ্রনাথ। রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়কে লিখিত পত্র। প্রবাসী, কাতিক ১৩৪৯ এই বৈষ্ণবীর উল্লেখ রবীন্দ্র-সাহিত্যে অন্যত্রও আছে— যেমন, প্রথমসংস্করণ যাত্রী, পশ্চিমযাত্রীর ডায়ারি, প ৯১, ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৫; প ১৫৮, ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯২৫ এবং বনবাণী কাব্যের ভূমিকা। সত্রীর পত্র টীকা-সহ বদনাম গলে্পর প্রসঙ্গ দেখিতে হইবে। অপরিচিতা শ্রীসন্ধীরচন্দ্র কর তাঁহার কবি-কথা গ্রন্থে (প ৭৩-৭৬) কবির দেখা অতি সাধারণ ঘরের একটি মেয়ের কবি-কথিত যে বিবরণ দিয়াছেন তাহার সহিত তুলনীয় অপরিচিতার অধ্যায় ৪। নামঞ্জর গল্প গলপগুচ্ছের নামঞ্জর গল্পের যে জায়গায় পদসেবা নিয়ে বিব্রত হয়ে পড়ার কথা আছে তা আমার নিজের জীবনেই ঘটেছিল। ২৮ জুলাই ১৯৩৪ – রবীন্দ্রনাথের উক্তি। আলাপচারী রবীন্দ্রনাথ অপিচ দ্রষ্টব্য : মংপতে রবীন্দ্রনাথ, প্রথম সংস্করণ, প, ১৩১। সোহিনীকে নিয়ে যখন কেউ-কেউ আলোচনা করতেন । রবীন্দ্রনাথ ] তাঁদের প্রায়ই বলতেন, সোহিনীকে সকলে হয়তো বঝেতে পারবে না, সে একেবারে এখনকার মতো আইডিয়ালিজমই হল সোহিনীর প্রকৃত বরাপ।" o – শ্রীপ্রতিমা দেবী। নিবর্ণণ