প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


げ00 গল্পগুচ্ছ এবার থেকে এই প্রার্থনা কোরো— তোমার কাছ থেকে চলে আসার দারণ দুঃখ যেন একদিন সার্থক হয়। তুমি মনে মনে কখনও আমাকে ঈষা করেছ কি না জানি নে। এ কথা সত্য, মেয়েদের আমি ভালোবাসি। ঠিক ততটা না হোক, মেয়েদের আমার ভালো লাগে। তারা আমাকে ভালোবেসেছে, সেই ভালোবাসা আমাকে কৃতজ্ঞ করে। কিন্তু নিশ্চয় তুমি জান যে, তারা নীহারিকামণ্ডলী, তার মাঝখানে তুমি একটিমাত্র প্রবনক্ষত্র। তারা আভাস, তুমি সত্য। এ-সব কথা শোনাবে সেণ্টিমেন্টাল। উপায় নেই, আমি কবি নই। আমার ভাষাটা কলার ডেলার মতো, ঢেউ লাগলেই বাড়াবাড়ি করে দোলা দিয়ে। জানি বেদনার যেখানে গভীরতা সেখানে গম্ভীর হওয়া চাই, নইলে সত্যের মযাদা থাকে না। দলবলতা চঞ্চল, অনেকবার আমার দলবলতা দেখে হেসেছ । এই চিঠিতে তারই লক্ষণ দেখে একট হেসে তুমি বলবে, এই তো ঠিক তোমার অভীর মতোই ভাবখানা। কিন্তু এবার হয়তো তোমার মাখে হাসি আসবে না। তোমাকে পাই নি বলে অনেক খােতখত করেছি, কিন্তু হৃদয়ের দানে তুমি যে কৃপণ এ কথার মতো এতবড়ো অবিচার আর কিছর হতে পারে না। আসলে এ জীবনে তোমার কাছে আমার সম্প্রপণ প্রকাশ হতে পারল না। হয়তো কখনও হতে পারবে না। এই তাঁর অতৃপ্তি আমাকে এমন কাঙাল করে রেখেছে। সেই জন্যেই আর কিছল বিশ্বাস করি বা না করি, হয়তো জন্মান্তরে বিশ্বাস করতে হবে। তুমি পন্ট করে আমাকে তোমার ভালোবাসা জানাও নি, কিন্তু তোমার স্তব্ধতার গভীর থেকে প্রতিক্ষণে যা তুমি দান করেছ, এই নাস্তিক তাকে কোনো সংজ্ঞা দিতে পারে নি— বলেছে 'অলৌকিক । এরই আকষাণে কোনো-এক ভাবে হয়তো তোমার সঙ্গে সঙ্গো তোমার ভগবানেরই কাছাকাছি ফিরেছি। ঠিক জানি নে। হয়তো সবই বানানো কথা। কিন্তু হৃদয়ের একটা গোপন জায়গা আছে আমাদের নিজেরই অগোচরে, সেখানে প্রবল ঘা লাগলে কথা আপনি বানিয়ে বানিয়ে ওঠে, হয়তো সে এমন কোনো সত্য যা এতদিনে নিজে জানতে পারি নি। o বী, আমার মধ্যকরী, জগতে সব চেয়ে ভালোবেসেছি তোমাকে। সেই ভালোবাসার কোনো একটা অসীম সত্যভূমিকা আছে বলে যদি মনে করা যায়, আর তাকেই যদি বল তোমাদের ঈশ্বর, তা হলে তাঁর দয়ার আর তোমার দয়ার এক হয়ে রইল এই নাস্তিকের জন্যে। আবার আমি ফিরব— তখন আমার মত, আমার বিশ্বাস, সমস্ত চোখ বাজে সমপণ করে দেব তোমার হাতে ; তুমি তাকে পেপছিয়ে দিয়ো তোমার তীর্থপথের শেষ ঠিকানায়, যাতে বৃদ্ধির বাধা নিয়ে তোমার সঙ্গে এক মহত্যের বিচ্ছেদ আর কখনও না ঘটে। তোমার কাছ থেকে আজ দরে এসে কাঁটার বেড়া পার করিয়ে দিয়েছে আমাকে— আমি দেখতে পাচ্ছি তোমাকে লোকাতীত মহিমায়। এতদিন বুঝতে চেয়েছিলাম বৃদ্ধি দিয়ে, এবার পেতে চাই আমার সমস্তকে দিয়ে। एउाञान्न नाञ्ज्रिक छलु আশ্বিন ১৩৪৬