প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


br२२ গল্পগুচ্ছ বোমভোলানাথ ভোঁ হয়ে থাকেন। তাঁর কম নয় সংসার চালানো। দেখো-না, সরকার বাহাদরে শয়তানির জোরে দনিয়া জিতে নিয়েছে, খাস্টানির জোরে নয়। কিন্তু ওরা খাঁটি, তাই রাজ্য রক্ষা করতে পেরেছে। যেদিন কথার খেলাপ করবে, সেদিন ঐ শয়তানেরই কাছে কানমলা খেয়ে মরবে।" নন্দকিশোর আশ্চর্য হয়ে গেল। মেয়েটি বললে, “বাব, রাগ কোরো না। তোমার মধ্যে ঐ শয়তানের মন্তর আছে। তাই তোমারই হবে জিত। অনেক পরষেকেই আমি ভুলিয়েছি, কিন্তু আমার উপরেও টেক্কা দিতে পারে এমন পর্ষ আজ দেখলাম। আমাকে তুমি ছেড়ো না বাব, তা হলে তুমি ঠকবে।” নন্দকিশোর হেসে বললে, "কী করতে হবে।" শোধ করে দিতে হবে।” “কত টাকা দেনা তোমার।" “সাত হাজার টাকা ।” নন্দকিশোরের চমক লাগল, ওর দাবির সাহস দেখে। বললে, “আচ্ছা, আমি দিয়ে দেব, কিন্তু তার পরে ?” “তার পরে আমি তোমার সঙ্গ কখনও ছাড়ব না।” "কী করবে তুমি।” “দেখব, যেন কেউ তোমায় ঠকাতে না পারে আমি ছাড়া।" নন্দকিশোর হেসে বললেন, "আচ্ছা বেশ, রইল কথা, এই পরো আমার आशीछे ।” কটিপাথর আছে ওঁর মনে, তার উপরে দাগ পড়ল, একটা দামি ধাতুর। দেখতে পেলেন মেয়েটির ভিতর থেকে ঝক ঝক করছে ক্যারেক্টরের তেজ—বোঝা গেল ও নিজের দাম নিজে জানে, তাতে একটমাত্র সংশয় নেই। নন্দকিশোর অনায়াসে বললে দেব টাকা—দিলে সাত হাজার বাড়ি আইমাকে । মেয়েটিকে ডাকত সবাই সোহিনী বলে। পশ্চিমী ছাঁদের সকঠোর এবং সন্দের তার চেহারা। কিন্তু চেহারায় মন টলাবে, নন্দকিশোর সে জাতের লোক ছিলেন না। যৌবনের হাটে মন নিয়ে জয়ো খেলবার সময়ই ছিল না তাঁর। নন্দকিশোর ওকে যে দশা থেকে নিয়ে এসেছিলেন সেটা খাব নিমল নয়, এবং নিভৃত নয়। কিন্তু ঐ একরোখা একগয়ে মানুষ সাংসারিক প্রয়োজন বা প্রথাগত বিচারকে গ্রাহ করতেন না। বন্ধরো জিজ্ঞাসা করত বিয়ে করেছ কি। উত্তরে শনত, বিয়েটা খুব বেশি মাত্রায় নয়, সহমত। লোকে হাসত যখন দেখত, উনি প্যাঁকে নিজের বিদ্যের ছাঁচে গড়ে তুলতে উঠে পড়ে লেগে গিয়েছেন। জিজ্ঞাসা করত, “ও কি প্রোফেসারি করতে যাবে নাকি ৷” নন্দ বলতেন, “না, ওকে নন্দকিশোরি করতে হবে, সেটা যে-সে মেয়ের কাজ नग्न ।” * बजज्र, “ज्राधि अजयणीयवाइ छाइन्छ कीब्र एन ।” “সে কী হে ।”