প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


जाबरब्रछेर्मग्न to 6. ঘাতিনী হয়ে। আমি এর রক্ষক চাই, তাই খুজছিলম রেবতীকে ৷” “চেস্টা করে দেখলে ?” “দেখেছি, হাতে হাতে ফল পাবার আশা আছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকবে না।” “কেন।” “ওঁর পিসিমা বেমনি শনবেন রেবতীকে টেনেছি কাছে, অমনি তাঁকে ছোঁ মেরে নিয়ে যাবার জন্যে ছটে আসবেন। ভাববেন, আমার মেয়ের সঙ্গে ওঁর বিয়ে দেবার ফাঁদ পেতেছি।” “দোষ কী, হলে তো ভালোই হত। কিন্তু তুমি যে বলেছিলে, বেজাতে মেয়ের বিয়ে দেবে না।” “তখনও আপনার মন জানতুম না, তাই মিথ্যে কথা বলেছিলাম। খুবই চেয়েছিলাম। কিন্তু ছেড়েছি সেই মতলব।" “কেন।” “বঝেতে পেরেছি, ও ভাঙন-ধরানো মেয়ে। ওর হাতে যা পড়বে তা আস্ত থাকবে না ।" “কিন্তু ও তো তোমারই মেয়ে।” o “আমারই মেয়ে তো বটে, তাই তো ওকে অাঁতের ভিতর থেকেই চিনি।" অধ্যাপক বললেন, “কিন্তু এ কথা ভুললে চলবে কেন. যে, মেয়েরা পরষের ইনপিরেশন জাগাতে পারে।” “আমার সবই জানা আছে। পরেষের খোরাকে আমিষ পর্যন্ত ভালোই চলে, কিন্তু মদ ধরালেই সবনাশ। আমার মেয়েটি মদের পাত্র, কানায় কানায় ভরা।” “তা হলে কী করতে চাও বলো।” “আমার ল্যাবরেটরি দান করতে চাই, পাব্লিককে ৷” "তোমার একমাত্র মেয়েকে এড়িয়ে দিয়ে ?” “মেয়েকে ? ওকে দান করলে সে দান পৌছবে কোন রসাতলে কী করে জানব ? আমার ট্রাস্ট সম্পত্তির প্রেসিডেন্ট করে দেব রেবতীকে। তাতে তো পিসির আপত্তি হতে পারবে না ?” “মেয়েদের আপত্তির যুক্তি যদি ধরতেই পারব তা হলে পরিষে হয়ে জন্মাতে গেলাম কেন ? কিন্তু একটা কথা বঝেতে পারছি নে, ওকে যদি জামাই না করবে তা হলে প্রেসিডেন্ট করতে চাও কেন।” “শধে যন্ত্রগুলো নিয়ে কী হবে ? মানষে চাই ওদের প্রাণ দিতে আর-একটা কথা এই—আমার স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে একটাও নতুন যন্ত্র আনা হয় নি। টাকার অভাবে নয়। কিনতে হলে একটা লক্ষ্য ধরে কিনতে হয়। খবর জেনেছি, রেবতী ম্যাগনেটিজম নিয়ে কাজ করছেন। সেই পথে সংগ্রহ এগিয়ে চলকে, যত দাম লাগে লাগকে-না।” “কী আর বলব, পারবেমানব যদি হতে তোমাকে কাঁধে করে নিয়ে নেচে বেড়াতুম। তোমার স্বামী রেল-কোম্পানির টাকা চুরি করেছিলেন, তুমি চুরি করে নিয়েছ তাঁর পরেষের মনখানা। এমন অদ্ভুত কলমের-জোড়-লাগানো বন্ধি আমি कथनe ट्नथि नि । श्राधान्नe *ाब्राध* छनeब्रा टूधि ,प्य भग्नकाब्र रवाथ कब्र, ७ई